সিলিন্ডার বিদায়ের ঘণ্টা! যে এলাকায় পাইপলাইনের গ্যাস পৌঁছেছে, সেখানে আর পাবেন না এলপিজি

আপনার এলাকায় কি রান্নার গ্যাসের পাইপলাইন পৌঁছে গিয়েছে? যদি উত্তর ‘হ্যাঁ’ হয়, তবে সাবধান! কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, যে সমস্ত এলাকায় পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস বা পিএনজি (PNG) সংযোগ উপলব্ধ হয়েছে, সেখানে আর এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবহার করা যাবে না। গত ২৪ মার্চ জারি করা এই নির্দেশিকা ঘিরে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

নতুন নিয়ম বলছে, কোনো এলাকায় পিএনজি সংযোগ দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পরিবারকে নোটিশ পাঠানো হবে। নোটিশ পাওয়ার পর গ্রাহক সর্বোচ্চ ৩ মাস সময় পাবেন। এই সময়ের মধ্যে পাইপলাইনের সংযোগ না নিলে ওই ঠিকানায় এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ পাকাপাকিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত কারণে সংযোগ দেওয়া সম্ভব না হলে, বিশেষ এনওসি (NOC) সাপেক্ষে এলপিজি রাখা যাবে।

কেন এই কড়া পদক্ষেপ? পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ও এলপিজি-র ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পিএনজি-র ওপর জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। শহরে পিএনজি ব্যবহার বাড়লে বেঁচে যাওয়া এলপিজি সিলিন্ডারগুলি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেওয়া সহজ হবে। আবাসন চত্বরে পাইপলাইন পাতার কাজ দ্রুত শেষ করতে ‘অ্যাসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট’-এর আওতায় আনা হয়েছে এই ব্যবস্থাকে। ৩ দিনের মধ্যে অনুমতি এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংযোগ নিশ্চিত করার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কোম্পানিগুলোকে। তেল সচিব নীরজ মিত্তল জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে।