ডার্বির আগে ফুঁসছে গ্যালারি! সমর্থকদের ক্ষোভ সামলাতে ওস্কারের মুখে ‘অদম্য মানসিকতা’র মন্ত্র!

আইএসএলের শুরুটা ছিল রাজকীয়। নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে হারিয়ে দাপুটে মেজাজে যাত্রা শুরু করেছিল ইস্টবেঙ্গল এফসি। কিন্তু কেরালা ব্লাস্টার্স এবং এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে পয়েন্ট নষ্ট করার পর থেকেই লাল-হলুদ শিবিরে অস্বস্তির ছায়া। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান থেকে পিছিয়ে আসায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ মশাল ব্রিগেডের সমর্থকরা। গত ম্যাচে শেষ মুহূর্তে গোল হজম করার পর গ্যালারির সেই ক্ষোভের আঁচ পৌঁছেছে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত। এই পরিস্থিতিতে সোমবারের হাইভোল্টেজ ডার্বির আগে সমর্থকদের মন জিততে মরিয়া কোচ ওস্কার ব্রুজোঁ।

রবিবার বিকেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওস্কার সমর্থকদের আবেগ এবং হতাশার কথা অকপটে স্বীকার করে নিলেন। তিনি বলেন, “সমর্থকরা সর্বদা দলের পাশে থাকেন। ঘরের মাঠে পয়েন্ট নষ্ট হওয়া তাঁদের জন্য কতটা যন্ত্রণার, তা আমরা বুঝি।” সমর্থকদের সেই হতাশা কাটিয়ে জয় উপহার দেওয়াই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। কোচের স্পষ্ট বার্তা, “আমাদের এমন পারফরম্যান্স উপহার দিতে হবে, যা দেখে সমর্থকরা গর্ববোধ করেন। আমরা অদম্য মানসিকতা এবং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লড়াই করতে পুরোপুরি প্রস্তুত।”

আনোয়ার আলি, প্রভসুখান গিলদের নিয়ে গঠিত ইস্টবেঙ্গল রক্ষণে শেষ মুহূর্তের ভুলগুলো শুধরে নেওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। ডার্বির মতো বড় ম্যাচে সমর্থকদের অফুরন্ত উদ্দীপনা কাজে লাগিয়ে টেবিলের উপরের দিকে উঠে আসতে চায় মশাল ব্রিগেড। ওস্কারের মতে, দলের ভেতর লড়াই করার যে মানসিকতা তৈরি হয়েছে, তা যদি মাঠের পারফরম্যান্সে প্রতিফলিত হয়, তবে সমর্থকরা নিশ্চিতভাবেই আবারও দলের ওপর আস্থা ফিরে পাবেন। কলকাতার ফুটবল জ্বরে এখন প্রশ্ন একটাই—ডার্বির মহারণে ওস্কারের রণকৌশল কি লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে পারবে?