পালকিতে আগমন, গজে বিদায়! ২০২৬-এর বাসন্তী পুজোয় কি অমঙ্গলের ছায়া? জানুন শাস্ত্রীয় সতর্কতা

বসন্তের আগমনে প্রকৃতি যখন নতুন সাজে সেজে উঠেছে, তখনই শুরু হয়েছে দেবী দুর্গার আদি রূপের আরাধনা—বাসন্তী পুজো। ২০২৬ সালের ২৪ মার্চ (৯ চৈত্র) মঙ্গলবার মহাষষ্ঠীর মাধ্যমে বাঙালির এই উৎসবের মূল পর্ব শুরু হতে চলেছে। তবে এবারের পুজোর একটি বিশেষ দিক জ্যোতিষীদের চিন্তায় রেখেছে। শাস্ত্রীয় গণনা অনুযায়ী, এবার দেবীর আগমন ঘটছে পালকিতে এবং গমন হবে গজে (হাতি)।

শাস্ত্র কী বলছে? জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, পালকিতে দেবীর আগমন খুব একটা শুভ লক্ষণ নয়। লখনউয়ের প্রখ্যাত জ্যোতিষী উমাশঙ্কর মিশ্রের মতে, পালকিতে আগমন মড়ক, রোগব্যাধি এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়। এর ফলে প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা হঠাত ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাও থাকে। অন্যদিকে, দেবীর গজে বা হাতিতে গমন অত্যন্ত শুভ। এটি সুখ ও সমৃদ্ধির প্রতীক হলেও পালকির অশুভ প্রভাবের কারণে অতিবৃষ্টি বা শস্যহানির আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সঙ্কট মুক্তির উপায়: জ্যোতিষীরা বলছেন, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ভক্তিভরে দেবী আরাধনা করলে এই নেতিবাচক প্রভাব কাটানো সম্ভব। চৈত্র নবরাত্রির এই ক’দিন দুর্গা সপ্তশতী পাঠ এবং উপবাস পালনের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগামী ২৭ মার্চ মহানবমীর দিনেই পালিত হবে রামনবমী, যা অশুভ শক্তির বিনাশ ঘটিয়ে শুভ শক্তির জয়ের বার্তা নিয়ে আসবে।