স্ত্রীর চ্যাটে ‘সিমেন্ট ও ড্রাম’! দেখেই ভয়ে সিঁটিয়ে গেলেন স্বামী, তারপর যা করলেন তা জানলে চমকে যাবেন!

উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে ঘটে গেল এক হাড়হিম করা ঘটনা, যা সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়। পরকীয়া আর সন্দেহের টানাপড়েন থেকে বাঁচতে এবং প্রাণভয়ে নিজের স্ত্রীকে তাঁর প্রেমিকের হাতেই তুলে দিলেন এক ব্যক্তি। তবে এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কাজ করেছে এক চরম আতঙ্ক। স্ত্রীর সোশ্যাল মিডিয়া চ্যাটে ‘সিমেন্ট’ এবং ‘ড্রাম’—এই দুটি শব্দ দেখার পর থেকেই ওই ব্যক্তির ধারণা হয়, তাঁকে খুনের ছক কষা হচ্ছে। কোনো ঝুঁকি না নিয়ে তিনি সোজা পুলিশের দ্বারস্থ হন।

দীর্ঘদিন ধরেই ওই দম্পতির মধ্যে অশান্তি লেগে থাকত। স্বামীর অভিযোগ ছিল, ৬ মাসের দুধের সন্তানের যত্ন না নিয়ে স্ত্রী সারাক্ষণ মোবাইল আর প্রেমিকের নেশায় মত্ত থাকতেন। এর আগেও ওই মহিলা ঘর ছেড়ে প্রেমিকের সাথে কাটিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। একদিন স্ত্রীর মোবাইল কেড়ে নিয়ে তাঁর মেসেজ পড়তে গিয়েই চোখ কপালে ওঠে স্বামীর। সেখানে রহস্যময় সংকেতে লেখা ছিল ‘সিমেন্ট ও ড্রাম’। এই শব্দগুলো দেখার পর তাঁর মনে পড়ে যায় সাম্প্রতিক একাধিক অপরাধমূলক ঘটনার কথা, যেখানে মৃতদেহ ড্রামে ভরে সিমেন্ট দিয়ে গেঁথে দেওয়া হয়েছিল। ভয়ে সিঁটিয়ে গিয়ে তিনি আর প্রতিবাদ না করে পুলিশকে সব জানান।

পুলিশ বিষয়টি নিয়ে মধ্যস্থতা করতে চাইলে ওই মহিলা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি স্বামীর সঙ্গে নয়, বরং প্রেমিকের সঙ্গেই থাকতে চান। এরপর আর কোনো বাধা দেননি বুলন্দশহরের ওই বাসিন্দা। তিনি নিজেই স্ত্রীর প্রেমিককে ডেকে পাঠান এবং তাঁর হাতে স্ত্রীকে সঁপে দেন। স্বামীর দাবি, প্রাণের ভয়ে এবং সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তিনি এই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই খবরটি জানাজানি হতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।