“রেজিনগরে ৮০ হাজার ভোটে জিতব!” তৃণমূলকে মুসলিম ভোট না দেওয়ার ডাক দিয়ে হুঙ্কার হুমায়ুন কবীরের

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিতে কোমর বেঁধে নামলেন হুমায়ুন কবীর। বুধবার এক বিস্ফোরক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানিয়ে দিলেন, শুভেন্দু অধিকারীর মতোই তিনিও এবার দুটি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নওদা— এই দুই আসন থেকেই জনতা উন্নয়ন পার্টির (JUP) প্রার্থী হচ্ছেন তিনি। ২০১১ সালে রেজিনগর থেকে জিতলেও এবার তাঁর দাবি, এই কেন্দ্র থেকে ৮০ হাজার এবং নওদা থেকে অন্তত ৪০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবেন তিনি।
সবচেয়ে বড় চমক থাকছে ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম নিয়ে। হুমায়ুন জানিয়েছেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর হাই-ভোল্টেজ লড়াইয়ের মাঝে তিনি এক অবাঙালি মুসলিম প্রার্থীকে দাঁড় করাচ্ছেন। আগামী রবিবার নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে। রাজ্যে মোট ১৮২টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে তাঁর দল। বাম বা কংগ্রেসের সঙ্গে কোনো জোট না হলেও, আসাদউদ্দিন ওয়াইসির মিম (AIMIM)-এর সঙ্গে আসন ভাগাভাগি করে লড়বে JUP।
তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে থাবা বসাতে মরিয়া হুমায়ুন রাজ্যের মুসলিমদের আবেদন জানিয়েছেন যাতে তাঁরা তৃণমূলকে ভোট না দেন। তবে বহরমপুর কেন্দ্রে তিনি নিজে অধীর চৌধুরীকে সমর্থন করবেন এবং তাঁর হয়ে প্রচার করবেন বলেও জানিয়েছেন। বেলডাঙা ও ফরাক্কার মতো আসনগুলোতেও জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আশাবাদী এই প্রাক্তন বিধায়ক। ভোটের আগে তাঁর এই ‘Y’ প্লাস নিরাপত্তা এবং ১৮২ আসনের ‘মিশন’ শাসকদলের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।