“নির্বাচন বলে আলাদা প্রস্তুতি নেই, ৩৬৫ দিনই মানুষের পাশে!” ২০২৬-এর আগে হুঙ্কার মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে যখন রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ বাড়ছে, তখন সম্পূর্ণ নির্ভার দেখাল রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারকে। ইটিভি ভারতকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার শুধুমাত্র নির্বাচনের সময় নয়, বরং সারা বছরই জনমুখী প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দরজায় পৌঁছে যায়। প্রদীপ বাবুর কথায়, “আমাদের নেত্রী কখনও ভাবেন না নির্বাচন কত দূরে, তিনি প্রতিনিয়ত প্রান্তিক মানুষের সমস্যার সমাধান নিয়ে ভাবেন।”
বিরোধীদের, বিশেষ করে বিজেপির কড়া সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকারকে কলুষিত করার জন্য বিজেপি ক্রমাগত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু প্রতিটি নির্বাচনে তৃণমূলের আসন সংখ্যা বৃদ্ধিই প্রমাণ করে যে মানুষ উন্নয়নের ওপর ভরসা রাখছেন। ভোটার তালিকায় কারচুপি বা ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “গণতন্ত্রে ভোটাধিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কোনো কারচুপি করে বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করা যাবে না।”
১০০ দিনের কাজের টাকা কেন্দ্র বন্ধ করে দিলেও রাজ্য সরকার যে দমে যায়নি, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি ‘কর্মশ্রী’ প্রকল্পের সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্থায়ী সম্পদ সৃষ্টিতে সারা দেশে মডেল তৈরি করেছে। বিজেপি প্রথম দিকে ‘কন্যাশ্রী’র মতো প্রকল্প নিয়ে ব্যঙ্গ করলেও আজ সেই মডেলই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। সবশেষে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী— ২০২৬ সালে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।