টিকিট পেয়েই বিস্ফোরক ব্রাত্য! ‘দিল্লি-নাগপুরের বন্ধ ঘরে আমাদের তালিকা তৈরি হয় না’, তোপ বিরোধীদের

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল সাজিয়ে মঙ্গলবারই পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তালিকায় বড় চমক যেমন আছে, তেমনই অভিজ্ঞ মুখের ওপর ভরসা রেখেছে জোড়াফুল শিবির। দমদম কেন্দ্রে টানা চতুর্থবার প্রার্থী হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বুধবার সকালে টিকিট পাওয়ার পর তিনি স্পষ্ট জানান, দল তাঁর কাজের মূল্যায়ন করেছে বলেই ফের এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিজেপি ও বামেদের কটাক্ষ করতে ছাড়েননি ব্রাত্য। তিনি বলেন, “তৃণমূলের তালিকা দিল্লি বা নাগপুরের কোনো বন্ধ ঘরে বসে ঠিক হয় না। মমতা ও অভিষেক কলকাতার বুকেই দুই প্রজন্মের মেলবন্ধনে এই তালিকা চূড়ান্ত করেছেন।” তাঁর মতে, রাজ্যে বর্তমানে যে ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান ঘটছে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।
অন্যদিকে, শহর কলকাতার দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে প্রচারে ঝড় তুলেছেন শশী পাঁজা ও কুণাল ঘোষ। শ্যামপুকুর কেন্দ্র থেকে টানা চারবার টিকিট পাওয়া শশী পাঁজা বুধবার সকালেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার শুরু করেন। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান, এলাকার মানুষের পাশেই তিনি সবসময় থাকেন। এদিকে, বেলেঘাটা কেন্দ্রে এবারই প্রথম বিধানসভা ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন কুণাল ঘোষ। বুধবার সকালে তাঁকে নিজের হাতে দেওয়ালে চুনকাম করে প্রচার শুরু করতে দেখা যায়। কুণাল বলেন, “বেলেঘাটা আমার কাছে নতুন নয়, দলের একজন একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবেই আমি মানুষের আশীর্বাদ নিতে এসেছি।” সব মিলিয়ে প্রার্থী ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ময়দানে নেমে পড়েছেন তৃণমূলের প্রবীণ ও নবীন সেনাপতিরা।