“হ্যাঁ আমি জামিন পেয়েছি!” দ্বিতীয় বিয়ে বিতর্কে প্রথমবার মুখ খুললেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়, সংবাদমাধ্যমকে দিলেন কড়া জবাব

ব্যক্তিগত জীবন এবং দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে চলা তীব্র বিতর্কের মাঝে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন অভিনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাদা ছোড়াছুড়ি এবং সংবাদমাধ্যমের কাটাছেঁড়ার পর টিভি৯ বাংলার মুখোমুখি হয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন তিনি। হিরণ সাফ জানালেন, একজন মানুষের রাজনৈতিক জীবন, সিনেমার জগত এবং ব্যক্তিগত জীবন— এই তিনটিকে আলাদা রাখা প্রয়োজন। ভারতবর্ষের মতো একটি স্বাধীন দেশে প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব ‘স্পেস’ পাওয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।
বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে প্রসঙ্গে হিরণ বলেন, “বিষয়টি বর্তমানে মহামান্য আদালতের বিচারাধীন। ভারতীয় সংবিধানে বিচারকের আসন এখনো সংবাদমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়া পায়নি। আমি আদালত থেকে জামিন পেয়েছি এবং আইন প্রণেতা হিসেবে আদালতের রায়কে সম্মান জানানোই আমার প্রধান কর্তব্য।” তিনি আরও যোগ করেন যে, যখন কোনো পারিবারিক বিষয় ঘরের চারওয়াল টপকে পুলিশ বা আদালত পর্যন্ত পৌঁছায়, তখন বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখা ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না। ৬ মে পর্যন্ত তিনি বিধায়ক পদের দায়িত্বে রয়েছেন এবং সেই মর্যাদা রক্ষা করতে তিনি বদ্ধপরিকর।
হিরণ নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং গবেষণা নিয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের সম্ভবত আমিই একমাত্র বিধায়ক যে আন্তর্জাতিক স্তরে গবেষণা করার সুযোগ পেয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সংবাদমাধ্যম একজন ফিল্মস্টারের এই দিকটি নিয়ে আলোচনা করতে চায় না।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলিং প্রসঙ্গে তিনি অন্যান্য সেলিব্রিটিদের উদাহরণ টেনে বলেন যে, কীভাবে ব্যক্তিগত আক্রমণ অনেককে ডিপ্রেশনের দিকে ঠেলে দেয়। তবে হিরণ স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কাউকে ছোট করে বড় হওয়ার স্বভাব তাঁর নেই। কে কী বলল তাতে কান না দিয়ে, যা সঠিক মনে করেন সেই পথেই তিনি চলবেন।