“বিরাট ভুল করল বলিউড!” আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে কেন বিস্ফোরক অল্লু অর্জুনের ভাই সিরিশ?

প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমার যুগে বলিউড কি এখনও আঞ্চলিক বাজারের গুরুত্ব বুঝতে ভুল করছে? তেলুগু সুপারস্টার অল্লু অর্জুনের ভাই তথা অভিনেতা অল্লু সিরিশের সাম্প্রতিক মন্তব্যে এই প্রশ্নই জোরালো হয়ে উঠেছে। সিরিশের মতে, আদিত্য ধরের নতুন ছবি ‘ধুরন্ধর’ তেলুগু ভাষায় ডাব না করে মুক্তি দেওয়াটা ছিল “এক বিরাট সুযোগ হাতছাড়া করা”। ভ্যারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট জানান, বলিউড প্রযোজকদের উচিত সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার ‘অ্যানিম্যাল’ থেকে শিক্ষা নেওয়া।
সিরিশ মনে করেন, দক্ষিণ ভারতের দর্শকরা এখন হিন্দি ছবি দেখার জন্য আগের চেয়ে অনেক বেশি মুখিয়ে আছেন। কিন্তু অনেক বলিউড প্রযোজকই আঞ্চলিক ডাবিং-কে গুরুত্ব না দেওয়ায় এক বিশাল অংকের বক্স অফিস কালেকশন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। সিরিশের কথায়, “হিন্দি দর্শকরা যেভাবে তেলুগু ছবিকে আপন করে নিয়েছেন, তেমনই দক্ষিণ ভারতের দর্শকরাও হিন্দি কনটেন্টের জন্য তৈরি। অনলাইন ট্রোলিং বা বিতর্ক স্রেফ ইন্টারনেটের শোরগোল, সাধারণ দর্শক ভালো ছবি দেখতে চায়।” তিনি মনে করেন, ‘ধুরন্ধর’ যদি তেলুগুতে মুক্তি পেত, তবে এর আয় ও জনপ্রিয়তা দুই-ই বহুগুণ বেড়ে যেত।
উদাহরণ হিসেবে তিনি ‘অ্যানিম্যাল’ ও ‘ছাবা’-র কথা টেনে আনেন। ২০২৩-এর ব্লকবাস্টার ‘অ্যানিম্যাল’ দক্ষিণ ভারতের প্রতিটি ভাষায় ডাব হওয়ায় সেটি ভারতজুড়ে বিপুল ব্যবসা করেছিল। এমনকি দর্শকদের দাবির মুখে ‘ছাবা’ ছবিটিকেও তেলুগুতে ডাব করে ২০২৫-এর ৭ মার্চ মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৯ মার্চ ‘ধুরন্ধর ২’ মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে, তার আগেই সিরিশের এই পরামর্শ হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জন্য অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছে সিনেমা মহল।