গ্যাসের আকাল না কি কালোবাজারি? আড়াই হাজার টাকায় বিকোচ্ছে সিলিন্ডার, মাথায় হাত মধ্যবিত্তের!

দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের জোগান নিয়ে তৈরি হয়েছে চরম অস্থিরতা। একদিকে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের মেঘ, আর অন্যদিকে তার সুযোগ নিয়ে শুরু হয়েছে এলপিজি সিলিন্ডারের (LPG Cylinder) ব্যাপক কালোবাজারি। দিল্লি থেকে বেঙ্গালুরু কিংবা কলকাতা—প্রতিটি বড় শহরেই এখন সাধারণ মানুষ ও ছোট ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড়। সরকার নির্ধারিত দামকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চড়া দামে বিকোচ্ছে সিলিন্ডার।
আকাশছোঁয়া দাম ও হাহাকার: রাজধানী দিল্লিতে বাণিজ্যিক গ্যাসের সরকারি দাম ১,৮৮৪ টাকা হলেও খোলা বাজারে তা ২,৫০০ টাকার গণ্ডি ছাড়িয়েছে। একই ছবি বেঙ্গালুরুতেও। জনপ্রিয় হোটেল মালিকরা জানাচ্ছেন, জোগান কার্যত শূন্য। আগে যেখানে দৈনিক জ্বালানি খরচ ৩০-৫০ হাজার টাকা ছিল, এখন তা এক লক্ষ ছাড়িয়ে যাচ্ছে। জোগানের এই কৃত্রিম অভাবের প্রভাব সরাসরি পড়ছে সাধারণ মানুষের পকেটে। হোটেলের খাবারের দামও এর ফলে হু হু করে বাড়ছে।
কলকাতার হাল ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ: তিলোত্তমা কলকাতাতেও ছবিটা তথৈবচ। ডিলারদের ফোন করলে মিলছে না সাড়া, অথচ বেশি টাকা দিলেই মিলছে সিলিন্ডার। এমন পরিস্থিতিতে কালোবাজারি রুখতে সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক রাজ্যগুলোকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সংকট মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রশাসন আশ্বাস দিচ্ছে জোগান স্বাভাবিক করার, কিন্তু বাস্তব চিত্র এখনো অগ্নিগর্ভ।