একঘেয়ে ঝোল-কালিয়াকে টা-টা! কাতলা মাছের এই ‘ঝালদা’ রেসিপিতে হবে বাজিমাত, আঙুল চাটবে সবাই!

বাঙালির পাতে যদি মাছ থাকে, তবে দুপুরের খাওয়াটা যে জম্পেশ হবে, তা নিয়ে কোনো সন্দেহই নেই। আর সেই মাছ যদি হয় কাতলা, তবে তো কথাই নেই! তবে দিনের পর দিন সেই একই কায়দায় বানানো ঝোল কিংবা দই কাতলা খেতে কার ভালো লাগে? একঘেয়েমি কাটাতে এবং স্বাদের বদল আনতে আজই ট্রাই করুন ‘কাতলা মাছের ঝালদা’। খুব সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়ে ঝটপট তৈরি এই পদটি আপনার দুপুরের ভোজের স্বাদ বদলে দেবে কয়েক গুণ।

প্রয়োজনীয় উপকরণ:

কাতলা মাছের টুকরো

লেবুর রস (২-৩ টেবিল চামচ)

সর্ষে বাটা (২ টেবিল চামচ)

কাঁচালঙ্কা বাটা (১ টেবিল চামচ)

শুকনো লঙ্কা বাটা (আধ চা চামচ)

পেঁয়াজ বাটা (৩ টেবিল চামচ)

পেঁয়াজ কুচি (আধ কাপ)

কালোজিরে (সামান্য)

চেরা কাঁচালঙ্কা (৩-৪টি)

নুন ও হলুদ গুঁড়ো (স্বাদমতো)

সর্ষের তেল (পরিমাণমতো)

ধনেপাতা কুচি (সাজানোর জন্য)

প্রস্তুত প্রণালী:
প্রথমেই মাছের টুকরোগুলো ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। এবার একটি পাত্রে মাছের সাথে নুন, হলুদ, সর্ষে বাটা, কাঁচালঙ্কা ও শুকনো লঙ্কা বাটা, সামান্য লেবুর রস এবং সর্ষের তেল দিয়ে খুব ভালো করে ম্যারিনেট করে নিন। কড়াইতে সর্ষের তেল গরম করে মাছগুলো হালকা ভেজে তুলে নিন। এবার ওই তেলেই কালোজিরে ও চেরা কাঁচালঙ্কা ফোড়ন দিন। ফোড়নের সুগন্ধ বেরোলে ম্যারিনেট করে রাখা মশলা ও সামান্য জল দিয়ে মাছগুলো দিয়ে দিন। ঢাকা দিয়ে মিনিট দশেক অল্প আঁচে রান্না হতে দিন।

মাছ প্রায় সেদ্ধ হয়ে এলে ওপর থেকে পেঁয়াজ কুচি ছড়িয়ে দিন। আরও মিনিট পাঁচেক নাড়াচাড়া করে রান্না করুন যাতে পেঁয়াজের কাঁচা গন্ধ চলে যায়। নামানোর আগে ওপর থেকে বাকি লেবুর রস এবং ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। ব্যাস, তৈরি জিভে জল আনা কাতলা মাছের ঝালদা। গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন এই রাজকীয় পদ।