গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছবে ‘গ্রিন করিডোরে’! নবান্নের নয়া টার্গেটে কারা পাবেন অগ্রাধিকার?

রাজ্যে ঘনীভূত রান্নার গ্যাসের (LPG) সঙ্কট মোকাবিলায় এবার ‘ওয়ার ফুট ডিক্লেয়ার’ করল নবান্ন। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের কালোবাজারি রুখতে একগুচ্ছ কড়া নিয়মাবলি বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) জারি করেছে রাজ্য সরকার। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে যাতে টান না পড়ে, তার জন্য নবান্নে খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ ‘স্টেট এলপিজি কন্ট্রোল রুম’। এই কন্ট্রোল রুম থেকে সরাসরি নজরদারি চালানো হবে রাজ্যের মজুত ভাণ্ডার ও পরিবহণ ব্যবস্থার ওপর।
নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, গৃহস্থালি, হাসপাতাল, স্কুল (মিড-ডে মিল) এবং আইসিডিএস কেন্দ্রগুলিকে গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রয়োজনে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের জোগান সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ মানুষের চাহিদা পূরণ করা হবে। সরবরাহের গতি বাড়াতে অতিরিক্ত ডেলিভারি ভ্যান মোতায়েন এবং প্রয়োজনে পুলিশি পাহারায় ‘গ্রিন করিডোর’ তৈরি করে সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তেল সংস্থাগুলিকে।
মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে। এছাড়া রিয়েল-টাইম তথ্য পেতে তৈরি হচ্ছে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড। জেলাশাসকদের অধীনে জেলাভিত্তিক পর্যবেক্ষণ কমিটি গড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। নবান্নের তরফে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে, এই চরম বিপদের সময়ে কেউ যদি গ্যাস মজুত করে কৃত্রিম আকাল তৈরি করে বা অতিরিক্ত দাম নেয়, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবে পুলিশ ও এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ। সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনার জন্য হেল্পলাইন নম্বরও চালু করা হয়েছে।