সারাদিন ঝিমুনি আর আলস্য? শিশুর ঘুমের গাণিতিক সমীকরণ মিলিয়ে নিন আজই!

সুস্থ জীবনের জন্য আহারের মতোই জরুরি সঠিক সময়ের ঘুম। বিশেষ করে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ঘুম এক অপরিহার্য ওষুধ। কিন্তু ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন আর ট্যাবের নেশায় শিশুদের ঘুমের বারোটা বাজছে। সম্প্রতি ‘ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন’ একটি গাণিতিক সমীকরণ প্রকাশ করেছে, যা বলে দেয় কোন বয়সে ঠিক কত ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক।

আপনার শিশুর জন্য আদর্শ ঘুমের তালিকা (২৪ ঘণ্টায়):

  • নবজাতক (০-৩ মাস): ১৪ থেকে ১৭ ঘণ্টা।

  • শিশু (৪-১১ মাস): ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা।

  • টডলার (১-২ বছর): ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা।

  • প্রিস্কুল (৩-৫ বছর): ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা।

  • স্কুলগামী শিশু (৬-১৩ বছর): ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা।

  • কিশোর-কিশোরী (১৪-১৭ বছর): ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা।

  • প্রাপ্তবয়স্ক (১৮-৬৪ বছর): ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা।

মোবাইল ও ঘুমের শত্রুতা: চিকিৎসকদের মতে, মোবাইল বা ল্যাপটপের নীল আলো শরীর থেকে ‘মেলাটোনিন’ হরমোন নিঃসরণে বাধা দেয়। এই হরমোনই আমাদের ঘুমোতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, মেজাজ খিটখিটে হওয়া এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

কখন সতর্ক হবেন? যদি দেখেন শিশু পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও সারাক্ষণ ঝিমোচ্ছে, তবে তা থাইরয়েড, রক্তাল্পতা বা স্থূলত্বের লক্ষণ হতে পারে। ভালো ঘুমের জন্য শোয়ার ঘর অন্ধকার রাখুন এবং ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে সব ধরনের ডিজিটাল স্ক্রিন সরিয়ে দিন।