পেট্রোলের ছ্যাঁকা থেকে বাঁচতে চান? বছরে পকেটে আসবে অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা! সিএনজি গাড়ির এই জাদুকরী হিসাব দেখে নিন

দিল্লি-এনসিআর সহ সারা দেশেই প্রতিদিন অফিস যাতায়াত করা চাকুরিজীবীদের জন্য জ্বালানি খরচ এখন মাথাব্যথার প্রধান কারণ। ২০২৬ সালের মার্চ মাসে দিল্লিতে পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ৯৪.৭৭ টাকায় পৌঁছেছে, যা মধ্যবিত্তের পকেটে সরাসরি টান দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে উঠে এসেছে ফ্যাক্টরি-ফিটেড সিএনজি (CNG) গাড়ি। এটি কেবল পরিবেশবান্ধবই নয়, বরং পকেটের চাপ কমাতেও সেরা অস্ত্র।

হিসাবটা খুব সহজ। ধরা যাক আপনি প্রতিদিন ৫০ কিলোমিটার যাতায়াত করেন। একটি পেট্রোল গাড়ি শহরে গড়ে ১৬ কিমি মাইলেজ দিলে প্রতি কিলোমিটারে খরচ হয় প্রায় ৫.৯২ টাকা। সেখানে একটি সিএনজি গাড়ি (যেমন মারুতি সুইফট বা ওয়াগনআর) কেজি প্রতি ২৫ কিমি মাইলেজ দিলে খরচ হয় মাত্র ৩.০৮ টাকা। অর্থাৎ, প্রতিদিন আপনার সাশ্রয় হবে ১৪২ টাকা। মাসে ২৫ দিন অফিস করলে বছরে আপনার পকেটে বাঁচবে প্রায় ৪২,৬০০ টাকা!

কেন কিনবেন ফ্যাক্টরি-ফিটেড সিএনজি?
বাইরে থেকে লাগানো সিএনজি কিটের তুলনায় কোম্পানির লাগানো কিট অনেক বেশি নিরাপদ। এতে ইঞ্জিনের স্থায়িত্ব বাড়ে এবং কোম্পানির ওয়ারেন্টিও বজায় থাকে। এখন টাটা পাঞ্চ বা মারুতির মতো ব্র্যান্ডগুলো ‘ডুয়াল সিলিন্ডার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, ফলে সিএনজি সিলিন্ডার থাকা সত্ত্বেও ডিকি বা বুট স্পেসের অভাব হবে না। মারুতি সেলেরিও বা ওয়াগনআর-এর মতো মডেলগুলো কেজি প্রতি ৩৫ কিমি পর্যন্ত মাইলেজ দিচ্ছে। তাই দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয়ের জন্য পেট্রোল ছেড়ে সিএনজিতে ভরসা রাখাই এখন বুদ্ধিমানের কাজ।

Saheli Saha
  • Saheli Saha