মমতার বিদায় আসন্ন? ভোটের মুখেই সুন্দরবনের একাধিক আসনে পরাজয় দেখছেন শুভেন্দু অধিকারী!

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বেজে উঠতেই তপ্ত হয়ে উঠেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকা। বুধবার এক বিস্ফোরক বিবৃতিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পতনের শুরু হবে এই সুন্দরবন থেকেই। তাঁর মতে, শাসকদল পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই এখন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়কের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই জেলা রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
হিংসা ও রক্তের রাজনীতির অভিযোগ: ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের মুখে রাজ্যের একাধিক জায়গায় অশান্তি ও শ্যুটআউটের খবর সামনে আসছে। এই নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনামলে রক্তের হোলি খেলা নতুন কিছু নয়। যতবারই ওঁরা হারের ভয় পান, ততবারই আমাদের কর্মীদের ওপর পৈশাচিক আক্রমণ নামিয়ে আনা হয়।” তিনি সাফ জানান, এই হিংসার রাজনীতি করে বাংলার মানুষকে আর দাবিয়ে রাখা যাবে না।
সুন্দরবন কি এবার বিজেপির দখলে? শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, সুন্দরবনের মানুষ এবার তৃণমূলকে আর রেয়াত করবে না। আমফান, বুলবুল বা ইয়াসের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ত্রাণ নিয়ে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তার যোগ্য জবাব দেবে সুন্দরবনের মানুষ। তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “সুন্দরবনের একাধিক আসনে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের বড় পরাজয় হতে চলেছে। এখান থেকেই শুরু হবে ওদের বিদায় ঘণ্টা।”
কমিশনের নজরদারি ও SIR আতঙ্ক: ইতিমধ্যেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন এবং SIR (Special Investigation/Regulatory) তালিকা নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি বেড়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর মতে, প্রশাসন ও পুলিশের একনিষ্ঠ দালালি সত্ত্বেও এবার আর ফল নিজেদের পক্ষে টানতে পারবে না শাসকদল। সুন্দরবনের প্রান্তিক মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার দিন শেষ হয়ে আসছে বলেই দাবি করেছেন তিনি।