সবসময় মেজাজ সপ্তমে? জ্যোতিষ শাস্ত্র বলছে এই ৪ রাশির জাতক-জাতিকারা ‘ডেঞ্জারাস’!

কথায় বলে, রাগ মানুষের পরম শত্রু। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন কি, কেন কেউ খুব শান্ত আর কেউ মুহূর্তের মধ্যে আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়েন? জ্যোতিষবিদরা বলছেন, এই মেজাজের নেপথ্যে রয়েছে মহাজাগতিক গ্রহের কারসাজি। মঙ্গল, সূর্য বা শনির মতো গ্রহের প্রভাবে কিছু রাশির জাতক-জাতিকা জন্মগতভাবেই একটু বেশি উগ্র মেজাজের হন। তবে মজার বিষয় হলো, এই রাগী মানুষদের কঠিন খোলসের আড়ালেই লুকিয়ে থাকে গভীর ভালোবাসা ও আবেগ।

১. মেষ রাশি (Aries): মেষ রাশির অধিপতি গ্রহ হলো মঙ্গল। জ্যোতিষশাস্ত্রে মঙ্গলকে সাহস, শক্তি এবং আগ্রাসনের প্রতীক মানা হয়। এই কারণেই মেষ রাশির জাতকরা খুব দ্রুত রেগে যান। এঁদের স্বভাব অত্যন্ত সোজাসাপ্টা; কোনো বিষয়ে দ্বিমত থাকলে এঁরা তৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া দেখান। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এঁদের রাগ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। ঝড়ের মতো এসে আবার শান্ত হয়ে যান এঁরা।

২. সিংহ রাশি (Leo): সিংহ রাশির অধিপতি স্বয়ং সূর্য। সূর্য হলো আত্মসম্মান এবং নেতৃত্বের প্রতীক। এই রাশির জাতকরা নিজেদের সম্মান বা ‘ইগো’ নিয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল হন। যদি কেউ এঁদের অবহেলা করে, তবে মুহূর্তের মধ্যে মেজাজ সপ্তমে চড়তে পারে। সিংহের মতো গর্জন করলেও, সামান্য প্রশংসায় এঁদের রাগ আবার জল হয়ে যায়।

৩. বৃশ্চিক রাশি (Scorpio): জ্যোতিষশাস্ত্রে বৃশ্চিককে সবথেকে রহস্যময় রাশি হিসেবে ধরা হয়। এঁরা সচরাচর আবেগ চেপে রাখেন। কিন্তু যখন ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায়, তখন সেই রাগ অত্যন্ত ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। বিশেষ করে বিশ্বাসঘাতকতা এঁরা সহ্য করতে পারেন না। মনে রাখবেন, বৃশ্চিক রাশির জাতকদের রাগ কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী হয়।

৪. মকর রাশি (Capricorn): মকর রাশির জাতকরা সাধারণত শান্ত এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ। কিন্তু কেউ বারবার তাঁদের ব্যক্তিগত সীমানা লঙ্ঘন করলে এঁদের সুপ্ত রাগ আগ্নেয়গিরির মতো ফেটে পড়ে। কাজে বাধা বা পরিশ্রমের মর্যাদা না দিলে মকরের রাগের মুখে পড়া নিশ্চিত।

জ্যোতিষীদের পরামর্শ অনুযায়ী, এই রাশির সঙ্গীদের রাগের সময় তর্কে না জড়িয়ে একটু ধৈর্য ধরলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। কারণ এই মানুষগুলোই মনের দিক থেকে অনেক সময় সবথেকে বেশি নরম হন।