গরম থেকে বাঁচতে সিকিম যাচ্ছেন? তাহলে এই বড় আপডেটটি মিস করবেন না!

কাঠফাটা রোদ আর প্যাচপ্যাচে ঘাম থেকে বাঁচতে বাঙালির প্রথম পছন্দই হলো উত্তর সিকিম। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গত কয়েক মাস ধরে পর্যটকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ছিল। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে উত্তর সিকিম জেলা প্রশাসন জানালো, চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার রাস্তা এখন পুরোপুরি সচল। খুলে দেওয়া হয়েছে ১৭,০০০ ফুট উচ্চতার মোহময়ী গুরুদংমার লেকের পথও।
কেন বন্ধ ছিল এই রুট?
২০২৫ সালের জুন মাসের বিধ্বংসী বৃষ্টিপাত এবং ব্যাপক ভূমিধস তছনছ করে দিয়েছিল উত্তর সিকিমের যোগাযোগ ব্যবস্থা। বিশেষ করে লাচেন ও গুরুদংমার যাওয়ার একাধিক সেতু ও রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পর্যটকদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় প্রশাসন। ফলে ভারতের অন্যতম সর্বোচ্চ হ্রদ গুরুদংমারের রূপ দেখা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন ভ্রমণপিপাসুরা।
৪০০ ফুটের নতুন সেতুই এখন লাইফলাইন
উত্তর সিকিমের জেলাশাসক অনন্ত জৈন জানিয়েছেন, চুংথাং থেকে লাচেন যাওয়ার পথে শেষ সেতুটি নির্মাণাধীন থাকায় এতদিন যাতায়াত বন্ধ ছিল। গত সপ্তাহে নবনির্মিত ৪০০ ফুট দীর্ঘ একটি সেতুর উদ্বোধন করা হয়েছে। এই সেতুটির মাধ্যমেই পুনরায় শুরু হয়েছে যান চলাচল। তবে নিরাপত্তার খাতিরে প্রশাসন কিছু কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে:
-
সিঙ্গেল লেন চলাচল: সেতুটি দিয়ে আপাতত একবারে কেবল একটি গাড়িই যাতায়াত করতে পারবে।
-
ব্যবধান বজায় রাখা: একটি গাড়ির সেতু পার হওয়ার নির্দিষ্ট সময় পর পরবর্তী গাড়িকে অনুমতি দেওয়া হবে।
-
ভারবহন ক্ষমতা: চালকদের অবশ্যই সেতুর নির্দিষ্ট লোড লিমিট বা ভার ধারণ ক্ষমতা মেনে চলতে হবে।
পারমিট নিয়ে আর নেই চিন্তা
সিকিম প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে পর্যটকদের যাতায়াতের ওপর কোনও বিধিনিষেধ নেই। চুংথাং থেকে লাচেন এবং লাচুং যাওয়ার রাস্তাটি সম্পূর্ণভাবে খুলে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে এখন থেকেই পারমিট ইস্যু করার কাজ শুরু হয়েছে।