কোয়েম্বাটোরে চিকিৎসক-মাতাকে পিটিয়ে হত্যা! খুনি ধরতে ৩ রাজ্যে তল্লাশি পুলিশের ৭টি স্পেশাল টিমের

কোয়েম্বাটোরের নানজুন্দাপুরম এলাকায় এক ৮২ বছরের বৃদ্ধাকে হাত-পা বেঁধে নৃশংশভাবে খুনের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম কস্তুরী। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, কেবল লুটের উদ্দেশ্যেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। বাড়ির সমস্ত সোনা ও মূল্যবান অলঙ্কার উধাও। ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ বাড়ির নেপালি পরিচারিকা।

ভিভৎস সেই দৃশ্য: মৃতার ছেলে পেশায় প্রখ্যাত আয়ুর্বেদিক চিকিৎসক রামকুমার কুট্টি সপরিবারে ভিয়েতনামে ঘুরতে গিয়েছিলেন। বাড়িতে একা ছিলেন তাঁর বৃদ্ধা মা কস্তুরী দেবী এবং একজন নেপালি পরিচারিকা। গত শুক্রবার সকালে রামকুমার বারবার তাঁর মাকে ফোন করলেও কেউ ফোন ধরেনি। সন্দেহ হওয়ায় তিনি প্রতিবেশীদের খবর দেন। প্রতিবেশীরা বাড়িতে ঢুকে দেখেন, কস্তুরী দেবীর নিথর দেহ পড়ে রয়েছে, তাঁর হাত-পা শক্ত করে বাঁধা।

তদন্তে ৭টি বিশেষ টিম: পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশেষজ্ঞ এবং স্নিফার ডগ দিয়ে তল্লাশি শুরু করেছে। কস্তুরী দেবীর মোবাইল ফোনটি বাড়ির পিছন থেকে উদ্ধার হয়েছে, যা খুনিরা ফেলে পালিয়েছিল। ডেপুটি কমিশনার কার্তিকেয়ন জানিয়েছেন, খুনিদের ধরতে সাতটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। এই দলগুলি চেন্নাই-সহ প্রতিবেশী জেলাগুলিতে এবং কেরল সীমান্তে তল্লাশি চালাচ্ছে।

পরিচারিকার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: তদন্তকারীদের নজরে এখন ওই নেপালি পরিচারিকা। ঘটনার পর থেকেই তাঁর কোনও হদিস নেই। পুলিশের ধারণা, এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে তাঁর বা তাঁর পরিচিত কোনও চক্রের যোগসাজশ থাকতে পারে। বৃদ্ধাকে একা পেয়েই এই ভয়াবহ ছক কষা হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে।