নারীর অন্দরেই লুকিয়ে ‘নায়ক’! রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের নতুন মিশনে নামলেন নীতা আম্বানি, জানুন বিস্তারিত

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের পুণ্যলগ্নে নারীশক্তির জয়গানে এক অভিনব উদ্যোগের সূচনা করলেন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন নীতা আম্বানি। ২০২৬ সালের এই বিশেষ দিনে তিনি আত্মপ্রকাশ ঘটালেন ‘HERoes’ নামক এক আন্দোলনের। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো সমাজের প্রতিটি স্তরের নারীদের আত্মবিশ্বাস জোগানো এবং তাদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরা। নীতা আম্বানি বিশ্বাস করেন, প্রতিটি নারীর মধ্যেই একজন ‘হিরো’ বা নায়ক লুকিয়ে আছে, যাকে চিনে নেওয়া এবং বিকশিত করাই এই উদ্যোগের আসল উদ্দেশ্য।
রিলায়েন্স ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘোষণাটি করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং শিল্প-সংস্কৃতির প্রসারে নিরলস কাজ করে চলেছেন নীতা আম্বানি। ফাউন্ডেশনের পোস্টে জানানো হয়েছে, মিসেস আম্বানি সর্বদা বিশ্বাস করেন যে নারীরাই একটি সুন্দর ও উন্নত বিশ্ব গড়ে তোলার প্রধান কারিগর। ‘HERoes’ আন্দোলনের মাধ্যমে নারীদের নেতৃত্বের ক্ষমতাকে আরও সুসংহত করা হবে, যাতে তারা নিজেদের অসীম সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত হন।
২০২৬ সালের ৮ মার্চ দিনটি নারী দিবসের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি প্রথম আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপনের (১৯১১ সাল) ১১৫তম বর্ষপূর্তি। এ বছরের থিম ছিল “অধিকার, বিচার এবং কর্মতৎপরতা: সকল নারী ও কন্যার জন্য”। এই থিমের সঙ্গেই সামঞ্জস্য রেখে নীতা আম্বানির এই উদ্যোগটি তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিন শুধুমাত্র ঘোষণাই নয়, বরং নিজের সাজপোশাকে ভারতীয় ঐতিহ্য ও নারীশক্তির এক অনবদ্য মিশেল ফুটিয়ে তুলেছিলেন নীতা। প্যাস্টেল রঙের হাতে বোনা অপূর্ব এক বেনারসি শাড়িতে তাঁকে মোহময়ী দেখাচ্ছিল। সঙ্গে ছিল প্রখ্যাত ডিজাইনার অনামিকা খান্নার ডিজাইন করা এমব্রয়ডারি ব্লাউজ। হীরাখচিত দুল, কপালে ট্র্যাডিশনাল লাল টিপ আর সপ্রতিভ হাসিতে তিনি যেন হয়ে উঠেছিলেন আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় নারীর মূর্ত প্রতীক।