খুনি নাকি রক্ষক? পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়ে মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন তরুণ, উত্তাল এলাকা!

রক্ষকই কি তবে ভক্ষক? পুলিশের একটি চড় কি কেড়ে নিল এক তরতাজা প্রাণ? ইন্দোরের তাপ্তি কমপ্লেক্সে ২৩ বছর বয়সী যুবক রাজ মাকোয়ানার মৃত্যু ঘিরে দানা বেঁধেছে ঘনীভূত রহস্য। পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার অপমান সহ্য করতে না পেরেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন রাজ।
ঘটনার সূত্রপাত: বুধবার রাতে মানসিক অবসাদ ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে একটু খোলা হাওয়ার খোঁজে আবাসনের নিচে নেমেছিলেন রাজ। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হয় তাঁর। রক্ষী খবর দেন পুলিশে। অভিযোগ, পুলিশের টহলদারি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে রাজ হাতজোড় করে ‘সরি’ বলেন। কিন্তু কর্তব্যরত পুলিশকর্মী কোনো কথা না শুনেই প্রকাশ্যে তাঁকে সপাটে চড় কষান।
আতঙ্ক ও মরণঝাঁপ: রাজের বোন নিকিতার দাবি, দাদাকে অসুস্থ জেনেও পুলিশ রেহাই দেয়নি। বাড়ি ফিরে রাজ প্রচণ্ড আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। বারবার বলতে থাকেন, “পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে যাবে, আমি কোথাও লুকাবো।” এই মানসিক ট্রমার রেশ কাটতে না কাটতেই ৫ তলা থেকে ঝাঁপ দেন তিনি। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশের সাফাই: যদিও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার রাজেশ দন্দোতিয়া। তাঁর দাবি, পুলিশ যুবককে বুঝিয়ে ঘরে পাঠিয়ে দিয়েছিল। তবে কেন এই চরম পথ বেছে নিলেন রাজ, তা খতিয়ে দেখতে ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকা এখন থমথমে, শোকাতুর পরিবারের একটাই প্রশ্ন—আইন রক্ষকদের এমন আচরণ কি বাধ্যতামূলক ছিল?