সূর্য না ব্রুক? আরব্য সাগরের তীরে টসে জিতলেই কি অর্ধেক জয় নিশ্চিত? জানুন পিচ রিপোর্ট

আজ বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ। আরব সাগরের তীরে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বসতে চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর দ্বিতীয় সেমিফাইনালের আসর। মুখোমুখি দুই হেভিওয়েট—ভারত ও ইংল্যান্ড। যে দল জিতবে, তারা ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। কিন্তু এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে আসল ‘গেম চেঞ্জার’ হতে পারে প্রকৃতির একটি উপাদান—শিশির বা ডিউ ফ্যাক্টর (Dew Factor)।
শিশির ও টসের গুরুত্ব: ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম সমুদ্রের খুব কাছে হওয়ায় সন্ধে নামলেই এখানে শিশির পড়তে শুরু করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯ শতাংশের কাছাকাছি হিউমিডিটি থাকলেও রাতের দিকে শিশিরাঙ্ক বাড়তে পারে। যদি শিশির বেশি পড়ে, তবে পরে ফিল্ডিং করা দলের জন্য বল গ্রিপ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। বিশেষ করে ভারতের বরুণ চক্রবর্তী বা ইংল্যান্ডের আদিল রশিদের মতো স্পিনাররা বিপাকে পড়তে পারেন। সে ক্ষেত্রে পরে ব্যাটিং করা দল বাড়তি সুবিধা পাবে, কারণ ভেজা মাঠে বল স্কিড করবে এবং স্ট্রোক খেলা সহজ হবে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস: মুম্বইয়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকার কথা। আকাশ পরিষ্কার থাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে সমুদ্রের হাওয়া ও শিশিরই অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং হ্যারি ব্রুকের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলছে।
টসে জিতলে কৌশল কী হবে? ঐতিহাসিকভাবে ওয়াংখেড়েতে রান তাড়া করা সুবিধাজনক হলেও, বড় ম্যাচের চাপের কথা মাথায় রেখে অনেক বিশেষজ্ঞ প্রথমে ব্যাটিং করার পরামর্শ দিচ্ছেন। যদি স্কোরবোর্ডে ১৯০-২০০ রান তোলা যায়, তবে শিশির থাকলেও তা তাড়া করা ইংল্যান্ডের জন্য কঠিন হবে। এখন দেখার, টস ভাগ্য ভারতের দিকে সহায় হয় কি না।