বিজেপিতে কাজের মূল্যায়ন হয়! দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সংসদীয় রাজনীতিতে অভিষেক হতে চলেছে রাহুল সিনহার

আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রাহুল সিনহা। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে এই ঘোষণা আসার পর থেকেই বঙ্গ রাজনীতিতে খুশির হাওয়া গেরুয়া শিবিরে। বুধবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাহুল সিনহা বলেন, তিনি বরাবরই পদের চেয়ে আদর্শকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
রাহুল সিনহার প্রতিক্রিয়া: বঙ্গ বিজেপির এই প্রাক্তন সভাপতি জানান, বিজেপিতে কাজ করলে যে সম্মান ও ফল পাওয়া যায়, তাঁর এই মনোনয়ন তারই প্রমাণ। তিনি বলেন, “আমি কোনোদিন পদের জন্য রাজনীতি করিনি। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়েছি, কিন্তু আদর্শ বিচ্যুত হইনি।” তাঁর মতে, এই স্বীকৃতির ফলে দলের সাধারণ কর্মীদের মনেও বিশ্বাস ফিরবে যে, দলের নজর সবার ওপরেই থাকে। তিনি আরও যোগ করেন, “অনেকে ভাবছিলেন রাহুলদারই কিছু হচ্ছে না, আমাদের কী হবে? আজ তাদের মনে আশার আলো জ্বলবে।”
রাজনৈতিক পটভূমি: রাজ্যে যখন বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি সেভাবে হয়নি, সেই কঠিন সময় থেকে দলকে গুছিয়েছেন রাহুল সিনহা। ২০১২ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন। পঞ্চায়েত এবং লোকসভা নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বেই লড়েছে দল। সংসদীয় রাজনীতিতে তিনি নবাগত হলেও সংগঠনের কাজে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা দলের সম্পদ বলে মনে করছে নেতৃত্ব।
আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি রাজ্যসভা আসনের জন্য ভোটগ্রহণ হবে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাহুল সিনহা ছাড়াও বিহার থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বিজেপির বর্তমান সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনকে। ওড়িশা থেকে মনমোহন সামাল এবং সুজিত কুমারও ঠাঁই পেয়েছেন গেরুয়া শিবিরের এই তালিকায়।