ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ: মোদী সরকারের গোপন ‘প্ল্যান-বি’ ফাঁস! তেলের সংকট রুখতে রাশিয়ার শরণাপন্ন ভারত?

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে হাহাকার শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভারতসহ একাধিক দেশের তেল আমদানিতে বড়সড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের শক্তি নিরাপত্তা (Energy Security) নিশ্চিত করতে এক শক্তিশালী ‘প্ল্যান-বি’ প্রস্তুত করেছে মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত পুনরায় রাশিয়ার থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল যে, মার্কিন ও ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিবাদে তারা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথেই পরিবাহিত হয়। এই রুট বন্ধ হওয়ায় বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একলাফে ১৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮২ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এই যে, স্বল্পমেয়াদী এই অচলাবস্থায় দেশের জ্বালানি সরবরাহে কোনও বড় বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা কম।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতীয় রিফাইনারিগুলির ট্যাঙ্ক এবং ট্রানজিটে মিলিয়ে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিনের অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে। এছাড়াও পেট্রোল ও ডিজেলের জোগান স্বাভাবিক রাখতে তেল শোধনাগারগুলি পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করছে, যা দেশের পরবর্তী ৭ থেকে ১০ দিনের চাহিদা অনায়াসেই মেটাতে পারবে। সব মিলিয়ে কৌশলগত মজুত (Strategic Reserves) সহ ভারতের হাতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ দিনের জ্বালানি সুরক্ষা কবজ রয়েছে।

যদি ইরান সংকট দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে ভারত তার আমদানি উৎস আমূল বদলে ফেলার পরিকল্পনা করেছে। রাশিয়ার সঙ্গে ‘অশোধিত তেল বাইব্যাক’ কৌশলটি এক্ষেত্রে সবথেকে কার্যকর হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও ভেনেজুয়েলা, ব্রাজিল এবং আফ্রিকার মতো দূরবর্তী দেশগুলি থেকেও তেল আমদানির বিকল্প পথ খোলা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দাবি, আন্তর্জাতিক স্তরে দাম বাড়লেও ভারতে পেট্রোল ও

ইরান ও আমেরিকার মধ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে হাহাকার শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভারতসহ একাধিক দেশের তেল আমদানিতে বড়সড় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের শক্তি নিরাপত্তা (Energy Security) নিশ্চিত করতে এক শক্তিশালী ‘প্ল্যান-বি’ প্রস্তুত করেছে মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত পুনরায় রাশিয়ার থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল যে, মার্কিন ও ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিবাদে তারা বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোর ‘হরমুজ প্রণালী’ বন্ধ করে দিয়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথেই পরিবাহিত হয়। এই রুট বন্ধ হওয়ায় বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম একলাফে ১৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৮২ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছে। তবে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এই যে, স্বল্পমেয়াদী এই অচলাবস্থায় দেশের জ্বালানি সরবরাহে কোনও বড় বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা কম।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতীয় রিফাইনারিগুলির ট্যাঙ্ক এবং ট্রানজিটে মিলিয়ে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিনের অপরিশোধিত তেলের মজুত রয়েছে। এছাড়াও পেট্রোল ও ডিজেলের জোগান স্বাভাবিক রাখতে তেল শোধনাগারগুলি পূর্ণ ক্ষমতায় কাজ করছে, যা দেশের পরবর্তী ৭ থেকে ১০ দিনের চাহিদা অনায়াসেই মেটাতে পারবে। সব মিলিয়ে কৌশলগত মজুত (Strategic Reserves) সহ ভারতের হাতে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ দিনের জ্বালানি সুরক্ষা কবজ রয়েছে।

যদি ইরান সংকট দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে ভারত তার আমদানি উৎস আমূল বদলে ফেলার পরিকল্পনা করেছে। রাশিয়ার সঙ্গে ‘অশোধিত তেল বাইব্যাক’ কৌশলটি এক্ষেত্রে সবথেকে কার্যকর হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এছাড়াও ভেনেজুয়েলা, ব্রাজিল এবং আফ্রিকার মতো দূরবর্তী দেশগুলি থেকেও তেল আমদানির বিকল্প পথ খোলা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের দাবি, আন্তর্জাতিক স্তরে দাম বাড়লেও ভারতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যাতে এক পয়সাও না বাড়ে, তার জন্য সবরকম প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।