গরমে বিদ্যুতের বিল নেমে আসবে ২০০ টাকায়, জেনেনিন কেন্দ্রের এই স্কিম?

মার্চের শুরুতেই চড়ছে পারদ। গরম বাড়লেই পাল্লা দিয়ে বাড়বে এসি, কুলার আর ফ্যান চালানোর ধুম। ফলাফল? মাসের শেষে আকাশছোঁয়া ইলেকট্রিক বিল। বিশেষ করে বড় পরিবারগুলোতে বিদ্যুৎ খরচ এখন মাথাব্যথার কারণ। এই সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি দিতে কেন্দ্রীয় সরকার নিয়ে এসেছে ‘প্রধানমন্ত্রী সূর্য ঘর বিনামূল্যে বিদ্যুৎ প্রকল্প’।
কী এই প্রকল্প?
বাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর জন্য দেশবাসীকে উৎসাহিত করতেই এই প্রকল্প চালু করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিজের বাড়িতেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব, যার ফলে ইলেকট্রিক বিল নামমাত্র বা শূন্যে নেমে আসতে পারে। সবথেকে বড় বিষয় হলো, সোলার প্যানেল বসানোর খরচের একটি বড় অংশ ভর্তুকি (Subsidy) হিসেবে দিচ্ছে কেন্দ্র।
কারা পাবেন এই সুবিধা?
-
এই প্রকল্পটি মূলত আবাসিক বা বসতবাড়ির জন্য।
-
আবেদনকারীর নিজস্ব বাড়ি এবং বৈধ ডোমেস্টিক বিদ্যুৎ সংযোগ থাকতে হবে।
-
যদি বাড়ি থেকে ছোট দোকান চালানো হয় এবং বাড়ির লাইন ব্যবহার করা হয়, তবে সুবিধা মিলবে। কিন্তু আলাদা বাণিজ্যিক (Commercial) সংযোগ থাকলে ভর্তুকি পাওয়া যাবে না।
ভর্তুকির অঙ্ক কত? (Subsidy Breakdown)
সোলার সিস্টেমের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে সরকার সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকি প্রদান করে:
| সোলার সিস্টেমের ক্ষমতা | সরকারি ভর্তুকির পরিমাণ |
| ১ কিলোওয়াট পর্যন্ত | প্রতি কিলোওয়াটে প্রায় ৩০,০০০ টাকা। |
| ২ কিলোওয়াট পর্যন্ত | মোট ভর্তুকি প্রায় ৬০,০০০ টাকা। |
| ৩ কিলোওয়াট বা তার বেশি | সর্বোচ্চ ৭৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ভর্তুকি। |
কেন এই বিনিয়োগ লাভজনক?
সোলার প্যানেল বসাতে শুরুতে কিছু খরচ হলেও, সরকারের দেওয়া এই বিপুল ভর্তুকির ফলে আসল খরচ অনেকটাই কমে যায়। একবার প্যানেল বসে গেলে পরবর্তী ২৫-৩০ বছর প্রায় বিনামূল্যে বা খুব কম খরচে বিদ্যুৎ পাওয়া সম্ভব। ফলে গরমের দিনে এসি চালাতেও আর পকেটের কথা ভাবতে হবে না।