ভোটের আগেই কি ৫০% ডিএ? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাপে নবান্ন, বিস্ফোরক দাবি মলয় মুখোপাধ্যায়ের

পঞ্চম পে-কমিশনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (DA) নিয়ে রাজ্য সরকার ও সরকারি কর্মীদের লড়াই এবার চূড়ান্ত পর্যায়ে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ মেটানোর লড়াইয়ে আইনি জয় পেয়েছেন কর্মীরা। কিন্তু রাজ্য সরকার সেই নির্দেশ পালনে গড়িমসি করায় এবার ময়দানে নামল ‘কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ’। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় সরাসরি রাজ্য সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন।

মলয়বাবুর দাবি, রাজ্য নিজেই সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল যে তারা ২৫ শতাংশ টাকা জমা রাখতে চায়, যার অর্থ সরকারের তহবিলে টাকা রয়েছে। অথচ আজ পর্যন্ত সেই ২৫% দেওয়ার কোনো সদিচ্ছা দেখায়নি নবান্ন। ফলে ইতিমধ্যেই সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। মলয় মুখোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক দাবি, “ভোটের আগে এই সরকারকে ২৫+১৫ অর্থাৎ প্রায় ৪০-৫০% ডিএ দিয়ে যেতেই হবে। এটাই তাদের জন্য লাভজনক হবে কারণ এই সরকার আর ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না।”

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, চলতি অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগে অর্থাৎ ৩১ মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে। যার প্রথম কিস্তি দেওয়ার কথা ৬ মার্চের মধ্যে। বাকি ৭৫ শতাংশ টাকা কীভাবে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করবে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের হাইপাওয়ার কমিটি। আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে রাজ্যকে এই সংক্রান্ত ‘কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট’ জমা দিতে হবে শীর্ষ আদালতে। এখন দেখার, সুপ্রিম কড়াকড়িতে ভোটের মুখে সরকারি কর্মীদের ডিএ ভাগ্য ফেরে কি না।