মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা! ২ লাখে পৌঁছবে সোনা? ৪ লাখের পথে রুপো—হাাহাকার বাজারে

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে এখন শুধুই বারুদের গন্ধ আর মিসাইলের গর্জন। ইরান, ইজরায়েল এবং আমেরিকার মধ্যে শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন আর কেবল সীমান্তের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ নেই; এর সরাসরি প্রভাব আছড়ে পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। যুদ্ধের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেল থেকে শুরু করে সোনা ও রুপোর দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ভারতের সাধারণ মানুষের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
কেন বাড়ছে সোনা-রুপোর দাম? বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, যখনই বিশ্বে কোনো বড় যুদ্ধ বা ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়, বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বাজারের ঝুঁকি এড়াতে ‘সুরক্ষিত বিনিয়োগ’ হিসেবে সোনা ও রুপোর দিকে ঝোঁকেন। এর ফলে চাহিদার চাপে দাম বাড়ে তরতরিয়ে। বর্তমানে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ছাড়িয়েছে। পরিস্থিতি যা, তাতে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন যে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে আগামী দু-তিন দিনের মধ্যেই সোনার দাম ২ লক্ষ টাকা এবং রুপোর দাম ৪ লক্ষ টাকা পার করতে পারে।
তেল ও শেয়ার বাজারে রক্তক্ষরণ: ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভারত তার প্রয়োজনীয় তেলের সিংহভাগই মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে। ফলে তেলের দাম বাড়লে পেট্রোল-ডিজেলের দামও বাড়বে চড়চড়িয়ে, যা প্রভাব ফেলবে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যে। অন্যদিকে, যুদ্ধের প্রভাবে বিটকয়েন সহ ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ধস নেমেছে এবং সোমবার বাজার খুললেই সেনসেক্স ও নিফটিতে বড় পতনের আশঙ্কা করছেন ট্রেডাররা।