শনিবার সকালেই কেন অপারেশন খামেনেই? আমেরিকা-ইজরায়েলের নিখুঁত ‘ডেডলি প্ল্যান’, নেপথ্যে বিস্ফোরক তথ্য

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুতে স্তব্ধ বিশ্ব। কিন্তু কেন এই অপারেশনের জন্য শনিবারের ভোরবেলাকেই বেছে নিল আমেরিকা ও ইজরায়েল? গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্যে উঠে আসছে এক চাঞ্চল্যকর কাহিনী। জানা গিয়েছে, ৮৬ বছর বয়সী খামেনেই শনিবার সন্ধ্যায় তাঁর শীর্ষ উপদেষ্টাদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসার কথা ছিল। কিন্তু ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ (Mossad) জানতে পারে, বৈঠকটি সময়ের আগেই শনিবার ভোরে একটি ‘সেফ হাউস’ বা নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনা হয়েছে।

অপারেশনের খুঁটিনাটি: রয়টার্স ও ইরান ইন্টারন্যাশনালের খবর অনুযায়ী, খামেনেই যখন তাঁর প্রধান উপদেষ্টা আলি শামখানি এবং নিরাপত্তা সচিব আলি লারিজানির সঙ্গে নিভৃত বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন, ঠিক তখনই আকাশপথে হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ বাহিনী। এই হামলায় খামেনেইয়ের পাশাপাশি নিহত হয়েছেন আইআরজিসি (IRGC)-র শীর্ষ কমান্ডার মুহাম্মদ পাকপুরও। এমনকি খামেনেইয়ের মেয়ে, জামাই ও নাতনিও এই হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন বলে ইরানি সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।

এখন ইরানের হাল ধরবে কে? সংবিধান অনুযায়ী, ইরানে সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করে ৮৮ জন ধর্মীয় নেতার ‘গার্ডিয়ান কাউন্সিল’। তবে যুদ্ধের আবহে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া জটিল হতে পারে। আপাতত বিচার বিভাগের প্রধান এবং বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি অন্তর্বর্তীকালীন কাউন্সিল দেশ পরিচালনা করবে। খামেনেই যুগের অবসান ইরানকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিল।