হঠাৎ আক্রমণে কাঁপছে ইরান! যুদ্ধের সাইরেন ইজরায়েলে, পরমাণু হামলার আশঙ্কায় স্তম্ভিত বিশ্ব

পশ্চিম এশিয়ায় বেজে উঠল যুদ্ধের দামামা! দীর্ঘদিনের আশঙ্কা সত্যি করে আজ ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানে অতর্কিত ও বিধ্বংসী হামলা চালাল ইজরায়েল। একের পর এক শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে গোটা শহর। সূত্রের খবর, ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের বাসভবনের অতি নিকটেই আছড়ে পড়েছে ইজরায়েলি মিসাইল। হামলার পরপরই ইরান জুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাস্তায় অ্যাম্বুল্যান্সের দীর্ঘ মিছিল আর মানুষের আর্তনাদ যুদ্ধের ভয়াবহতাকে স্পষ্ট করছে।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইজরায়েল এই হামলা একা করেনি; নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকার প্রচ্ছন্ন মদত। পারস্য উপসাগরে ইতিমধ্যেই মার্কিন রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। মূলত বিশ্বের ৬০ শতাংশ তেল সরবরাহকারী পথ ‘হরমুজ প্রণালী’র ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতেই এই রণকৌশল। ইরান আগেই হুমকি দিয়েছিল যে তারা এই জলপথ বন্ধ করে দেবে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারে। সেই পথ খোলা রাখতেই ইরানকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা করছে ইজরায়েল-আমেরিকা অক্ষ।
পাল্টা জবাব দিতে এক মুহূর্ত দেরি করেনি ইরানও। নিজেদের এয়ারস্পেস খালি করে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেছে তেহরান। প্রত্যাঘাতের আশঙ্কায় ইজরায়েল জুড়ে সাইরেন বাজছে এবং সমস্ত স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে ভয়ঙ্কর তথ্য হলো, ইরান এবার তাদের পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভারত, চীন ও আমেরিকা ইতিমধ্যেই তাদের নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই সংঘাত যদি পরমাণু যুদ্ধের রূপ নেয়, তবে তার প্রভাব গোটা বিশ্বের জন্য প্রলয়ঙ্কারী হতে পারে।