‘সবকিছুই অসম্পূর্ণ ছিল ওকে ছাড়া…’ রশ্মিকাকে বিয়ের পর বিজয়ের খোলা চিঠি ইন্টারনেটে ভাইরাল!

অবশেষে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার সবথেকে চর্চিত প্রেমের গল্প পরিণতি পেল। দীর্ঘদিনের জল্পনা ও লুকোচুরির অবসান ঘটিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন রশ্মিকা মন্দানা এবং বিজয় দেবরকোন্ডা। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ১০ মিনিটে পরিবারের উপস্থিতিতে চার হাত এক হয় তাঁদের। সন্ধ্যায় সমাজমাধ্যমে বিয়ের ছবি শেয়ার করতেই শুভেচ্ছার বন্যায় ভেসে যান এই তারকা দম্পতি। তবে ভক্তদের সবথেকে বেশি আবেগপ্রবণ করেছে নববিবাহিত স্ত্রীর উদ্দেশ্যে বিজয়ের লেখা একটি খোলা চিঠি।

বিজয়ের আবেগঘন খোলা চিঠি বিজয় তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “এমন একটা দিন এসেছিল যখন আমি ওকে ভীষণ মিস করছিলাম। মনে হচ্ছিল ও পাশে থাকলে দিনটা আরও সুন্দর হতো। ও পাশে বসে থাকলে আমার খাবারগুলো আরও স্বাস্থ্যকর মনে হতো, আমার ওয়ার্কআউটগুলো হতো আরও প্রাণবন্ত। ও যেখানেই থাকে, আমার জন্য স্বস্তি আর শান্তি বয়ে আনে। তাই আজ আমি বিয়ে করলাম আমার সবথেকে প্রিয় বন্ধুকে।” চিঠির শেষে তারিখ দিয়ে বিজয় লিখেছেন, “২৬.০২.২০২৬—আমার স্ত্রী।”

রাজকীয় মেনুতে তিন রাজ্যের স্বাদ বিজয়-রশ্মিকার বিয়ের ভোজ ছিল আক্ষরিক অর্থেই এলাহি। যেহেতু রশ্মিকা কর্ণাটকের মেয়ে এবং বিজয়ের শিকড় অন্ধ্র ও তেলেঙ্গানায়, তাই মেনুতে ছিল তিন রাজ্যের জনপ্রিয় মেলবন্ধন। অতিথিদের স্বাগত জানানো হয় নারকেলের জল দিয়ে। খাবারের তালিকায় ছিল বিখ্যাত হায়দরাবাদি দম বিরিয়ানি, অন্ধ্রপ্রদেশের স্পেশাল চিকেন কারি ‘নাটু কোডি পুলুস’, মেডু বড়া ও কিমা সামোসা। রশ্মিকার জন্য মেনুতে রাখা হয়েছিল কুর্গের ঐতিহ্যবাহী ‘কদম্বুটু’ এবং ‘পান্ডি কারি’। শেষ পাতে মিষ্টিমুখের জন্য ছিল মহীশূরের বিখ্যাত ‘মাইশোর পাক’।

অতিথি তালিকা ও কড়া নিরাপত্তা বিপুল ফ্যানবেস থাকা সত্ত্বেও বিয়েতে চরম গোপনীয়তা বজায় রেখেছিলেন এই জুটি। আমন্ত্রিত অতিথিদের ফোনের ক্যামেরা ব্যবহারের ওপর ছিল কড়া নিষেধাজ্ঞা। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা, তরুণ ভাস্কর, অভিনেত্রী ইশা রেব্বা এবং বিজয়ের ভাই আনন্দ দেবরকোন্ডা। পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের পাশাপাশি কয়েকজন নামী কর্পোরেট ব্যক্তিত্বও এই অনুষ্ঠানে শামিল হয়েছিলেন। ‘পুষ্পা’ গার্ল ও ‘লাইগার’ তারকার এই নতুন যাত্রা এখন নেটদুনিয়ার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।