আকাশে ‘বাহুবলী’ গর্জন! রাফাল-সুখোইয়ের পর এবার ‘প্রচণ্ড’ যুদ্ধবিমানে সওয়ার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু!

ভারতের সামরিক ইতিহাসে এক স্বর্ণাক্ষরে লেখা মুহূর্তের সাক্ষী থাকল রাজস্থানের জয়সলমের। রাফাল এবং সুখোইয়ের মতো শক্তিশালী যুদ্ধবিমানে ওড়ার পর, এবার দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (LCH) ‘প্রচণ্ড’-এ সওয়ার হলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শুক্রবার জয়সলমের এয়ার ফোর্স স্টেশনে সেনাপ্রধানদের উপস্থিতিতে এই বিশেষ উড্ডয়ন সম্পন্ন হয়।
আকাশে রাষ্ট্রপতির রণসজ্জা দুইটি এলসিএইচ (LCH) হেলিকপ্টারের একটি ফর্মেশনে এই উড্ডয়নটি করা হয়। রাষ্ট্রপতি যে হেলিকপ্টারে ছিলেন, তার পাশাপাশি দ্বিতীয় হেলিকপ্টারটি নিজে চালিয়েছেন এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং। উড্ডয়ন শেষে রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আকাশসীমা রক্ষায় নিযুক্ত বায়ুসেনার বীর যোদ্ধাদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি অত্যন্ত গর্বিত। তিনি বলেন, “প্রচণ্ড কেবল একটি হেলিকপ্টার নয়, এটি আত্মনির্ভর ভারতের এক শক্তিশালী প্রতীক।”
প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতির সফরনামা: রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দ্রৌপদী মুর্মু বারংবার সেনার মনোবল বাড়াতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন। তাঁর অভিজ্ঞতার ঝুড়িতে এখন রয়েছে:
-
সুখোই সু-৩০ এমকেআই ফাইটার জেট
-
রাফাল ফাইটার জেট
-
বায়ুসেনার বিশেষ পরিবহন বিমান
-
এবং সর্বশেষ সংযোজন: এলসিএইচ ‘প্রচণ্ড’
কেন স্পেশাল এই ‘প্রচণ্ড’? হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) দ্বারা নির্মিত এই হেলিকপ্টারটি পৃথিবীর একমাত্র অ্যাটাক হেলিকপ্টার যা ৫,০০০ মিটার উচ্চতায় (সিয়াচেনের মতো এলাকায়) ল্যান্ডিং ও টেক-অফ করতে সক্ষম। এটি শত্রু ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা, আকাশপথে নজরদারি এবং দুর্গম পাহাড়ে সেনা এসকর্ট দেওয়ার জন্য অপ্রতিদ্বন্দ্বী। রাষ্ট্রপতির এই সফর বিশ্বমঞ্চে ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণের এক জোরালো বার্তা দিল।