ইউনূসের বিদায়, যমুনার নতুন বাসিন্দা তারেক রহমান! ঈদের আগেই ভোলবদল হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের

বাংলাদেশের ক্ষমতার অলিন্দে বড়সড় পরিবর্তনের ঢেউ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ ত্যাগ করার পরই সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করতে চলেছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ড. ইউনূস যমুনা ছেড়ে দেবেন বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এরপর কিছু প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সাজসজ্জার কাজ শেষ হলেই সেখানে প্রবেশ করবেন নতুন প্রধানমন্ত্রী।

কেন বেছে নেওয়া হলো ‘যমুনা’?
আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছিল গণভবন। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গণভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এবং বর্তমানে সেটিকে জাদুঘরে রূপান্তরের কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হিসেবে শেরেবাংলা নগর বা সংসদ ভবন এলাকার কথা ভাবা হলেও নিরাপত্তা ও যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে ‘যমুনা’কেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান মহম্মদ খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানিয়েছেন, সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে ৩০ হেয়ার রোডের এই ভবনটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।

ঈদের আগেই নতুন ঠিকানা:
তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, তিনি আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর নতুন এই বাসভবনেই উদযাপন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বর্তমানে তিনি গুলশানের নিজস্ব বাড়ি থেকে কার্যালয়ে যাতায়াত করছেন। প্রায় ২০০ কাঠা অর্থাৎ সোয়া তিন একর জমির ওপর নির্মিত এই যমুনা ভবনের পাশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলো দুটিও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বরাদ্দ করা হচ্ছে।

মন্ত্রিসভার আবাসনেও তোড়জোড়:
শুধু প্রধানমন্ত্রী নন, নতুন সরকারের মন্ত্রীদের জন্যও সরকারি বাসভবন বরাদ্দের কাজ গত বুধবারই সম্পন্ন হয়েছে। বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে যে পরিবর্তনের হাওয়া বইছে, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন বদল তারই একটি বড় অংশ। যমুনার সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তারেক রহমান সেখানে উঠতে পারেন।