বাইক থেকে ট্যাক্সি, তারপর জোড়াসাঁকো! পুলিশকে ঘোল খাইয়ে যেভাবে চম্পট দিল খুনি হারুন ও রোহিত

হাওড়ায় প্রোমোটার সফিক খান খুনের ঘটনায় প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। সিসিটিভি ফুটেজ এবং পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, কীভাবে জনবহুল এলাকায় খুনের পর অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় এলাকা ছেড়ে পালিয়েছিল দুই মূল আততায়ী— হারুন খান এবং রোহিত হোসেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের পর বাইক ও ট্যাক্সি বদলে তারা কলকাতায় গা-ঢাকা দিয়েছিল।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, সফিক খান যখন রাস্তায় দাঁড়িয়ে পরিচিত একজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন, তখনই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। প্রথমে পিছন থেকে গুলি চালায় রোহিত হোসেন। সফিক মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করতে আরও কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় হারুন। মোট ৬ বার গুলি চালিয়ে দ্রুত এলাকা ছাড়ে তারা। পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রথমে একটি বাইক থামানোর চেষ্টা করলেও সেটি না থামায় কিছুটা দৌড়ে গিয়ে অন্য একটি বাইক ছিনতাইয়ের কায়দায় তাতে চড়ে বসে তারা।

তদন্তকারীদের দাবি, হাওড়ার অলিগলি পেরিয়ে জিটি রোডের কাছে এসে একটি ট্যাক্সি ধরে সরাসরি কলকাতার জোড়াসাঁকো এলাকায় পৌঁছায় দুই দুষ্কৃতী। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, যাদের মধ্যে একজনকে জোড়াসাঁকো থেকেই ধরা হয়েছে। ধৃতদের আজই আদালতে পেশ করা হবে। তবে মূল অভিযুক্ত হারুন ও রোহিত এখনও অধরা। তারা জোড়াসাঁকো থেকে পরে অন্য কোথাও পালিয়েছে কি না, তা জানতে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে হাওড়া ও কলকাতা পুলিশ।