বিদায়বেলায় শীতের শিরশিরানি! ঘূর্ণাবর্তের জেরে বঙ্গে আবহাওয়ার মেজাজ বদল, কী জানাল হাওয়া অফিস?

দক্ষিণবঙ্গে শীতের শেষ বেলাতেও আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনা অব্যাহত। গত দুদিন নিম্নচাপের প্রভাবে ভোর এবং রাতের দিকে হালকা শিরশিরানি অনুভূত হলেও, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চড়ছে রোদ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে তাপমাত্রার পারদ স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা নিচে থাকলেও, খুব শীঘ্রই আবহাওয়ার ভোলবদল হতে চলেছে।
উচ্চচাপ বলয়ের প্রভাব ও বৃষ্টির পূর্বাভাস
হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপটি সরে গেলেও বর্তমানে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপর একটি উচ্চচাপযুক্ত ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারেই নেই। আগামী চার দিন তাপমাত্রার বড় কোনো হেরফের না হলেও, পরবর্তী তিন দিনে তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাবে। ফলে ফাল্গুনের শুরুতেই গরমের দাপট অনুভূত হবে।
আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি ও কলকাতার হালচাল
বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের কাছাকাছি। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি। তবে চিন্তা বাড়াচ্ছে বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৩৮ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে থাকায় দিনের বেলা ঘর্মাক্ত ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে।
জেলায় জেলায় তাপমাত্রার গ্রাফ
বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ৩১ থেকে ৩২ ডিগ্রির আশেপাশে। আপাতত কোনো জেলাতেই বৃষ্টির ভ্রুকুটি নেই, বরং আকাশ পরিষ্কার থাকায় রোদের তেজ বাড়বে। সুতরাং, ভোরের হালকা আমেজটুকু উপভোগ করে নিয়ে চড়বড়িয়ে বাড়তে থাকা গরম সামলানোর প্রস্তুতি নিতে বলছে আবহাওয়া দফতর।