“বিধায়কের ঘনিষ্ঠ হলে ৭ খুন মাফ!” হাওড়া শুটআউট নিয়ে নজিরবিহীন আক্রমণ সুকান্ত মজুমদারের

হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে তরুণ প্রোমোটার সফিক খান খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। বুধবার এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শাসকদল ও পুলিশকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে ‘গৃহ সম্পর্ক’ অভিযানে গিয়ে তিনি দাবি করেন, এ রাজ্যে অপরাধীদের সঙ্গে বিধায়কদের ঘনিষ্ঠতা থাকলে পুলিশ ‘অন্ধ’ হয়ে যায়।

শুটআউট ও সুকান্তের তোপ: বুধবার ভোরে হাওড়ায় দুই দুষ্কৃতী হেঁটে এসে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করে সফিককে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, খুনের পর ঘাতকরা অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গিতে এলাকা ছাড়ছে। এই প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত বলেন, “বিধায়কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা আছে বলেই তো অপরাধীরা এত নির্ভয়! আপনি লাঠি নিয়ে দাঁড়ালে পুলিশ ধরবে, কিন্তু অপরাধীদের ক্ষেত্রে তারা বলবে দেখতে পাচ্ছি না।” তিনি অভিযুক্তদের পাশাপাশি স্থানীয় বিধায়ককেও গ্রেফতারের দাবি জানান।

ভোটার তালিকা ও রাষ্ট্রপতি শাসন: সংশোধিত ভোটার তালিকা প্রকাশে দেরি হওয়া নিয়েও রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “সংবিধান মেনে সঠিক সময়ে ভোটার তালিকা প্রকাশ না হলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হওয়া নিশ্চিত। কারণ তালিকা ছাড়া নির্বাচন হওয়া সম্ভব নয়।” এছাড়া পানিহাটিতে জনসংযোগের সময় তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের আরও বেশি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।