“যুবসাথী-র টাকা যাতে সবাই পায়”-রাজ্যে এবার CPIM চালু করল হেল্প ডেস্ক

রাজ্য সরকারের নতুন প্রকল্প ‘যুবসাথী’কে কেন্দ্র করে সরগরম পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া ২ নম্বর ব্লক। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা যাতে সাধারণ মানুষের কাছে সহজে পৌঁছায়, তার জন্য ব্লক অফিস চত্বরেই লাল ঝাণ্ডা টাঙিয়ে বিশেষ ‘হেল্পডেস্ক’ চালু করেছে সিপিএম। অনলাইন ফর্ম ফিলাপ থেকে নথি আপলোড—সবক্ষেত্রেই আবেদনকারীদের সহায়তায় কোমর বেঁধে নেমেছেন বাম কর্মীরা।

কেন এই তৎপরতা? সিপিএম নেতৃত্বের দাবি, প্রযুক্তিগত জটিলতা বা অজ্ঞতার কারণে অনেক যোগ্য বেকার যুবক-যুবতী যাতে বঞ্চিত না হন, তার জন্যই এই উদ্যোগ। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬-এর আগে তরুণ ভোটব্যাঙ্ক ধরতে এটি বামেদের বড় কৌশল। মজার বিষয় হলো, তৃণমূলের তরফেও সেখানে সহায়তা শিবির খোলা হয়েছে, কিন্তু স্থানীয়দের দাবি—সিপিএমের ক্যাম্পেই ভিড় বেশি।

বিজেপি ও তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া: তৃণমূলের অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পকে ব্যবহার করে রাজনীতি করছে বিরোধীরা। অন্যদিকে, বিজেপি নেতা কৃষ্ণ ঘোষের কটাক্ষ, “তৃণমূল-সিপিএম-কংগ্রেস তলে তলে একজোট হয়ে নাটক করছে, মানুষ ভোটবাক্সে এর জবাব দেবে।”

আবেদনকারীদের ক্ষোভ: হেল্পডেস্ক থেকে সহায়তা মিললেও অনেক আবেদনকারীর গলায় ঝরে পড়ছে আক্ষেপ। তাঁদের স্পষ্ট কথা, “ভাতা সাময়িক সাহায্য ঠিকই, কিন্তু স্থায়ী কাজ বা শিল্প না এলে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।” সিপিএম-ও একই সুরে সরকারকে বিঁধে জানিয়েছে, এই ভাতা দেওয়া আসলে রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাবেরই স্বীকারোক্তি।