ধর্ষণ করে খুনের পর লাশের সাথে যৌনাচার! ধৃত পীযূষের শান্ত স্বরে স্বীকারোক্তি শুনে রক্ত জল হয়ে যাচ্ছে পুলিশের

সমাজের নৈতিক অবক্ষয় কোন পর্যায়ে পৌঁছালে একজন মানুষ এতটা নৃশংস হতে পারে, তা ভাবলে গা শিউরে ওঠে। মধ্যপ্রদেশের এক ২৪ বছর বয়সী এমবিএ ছাত্রীর রহস্যমৃত্যুর তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে এল এমন কিছু তথ্য, যা কেবল অপরাধ নয়, বরং বিকৃত মানসিকতার চরম পরিচয়। খুনের পর মৃতদেহের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক (Necrophilia) এবং তারপর বিয়ার পান— অভিযুক্ত পীযূষ ধামনোতিয়ার এই কীর্তিতে হতবাক দুঁদে গোয়েন্দারাও।

সেই কালরাত ও পৈশাচিকতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন তরুণীকে নিজের ভাড়া বাড়িতে ডেকেছিল পীযূষ। সেখানে তাঁকে সঙ্গমের জন্য জোরাজুরি করলে তরুণী বাধা দেন। অভিযোগ, এরপরই তাঁকে ধর্ষণ করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলে পীযূষ। ‘উপহার’ দেওয়ার নাম করে তরুণীর মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে বুকের ওপর বসে শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করা হয়। নৃশংসতা এখানেই থামেনি; তরুণীর মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাঁর বুকে ছুরি দিয়ে এমন জোরে আঘাত করা হয় যে ছুরির ফলাটি ভেঙে শরীরের ভেতরেই রয়ে যায়।

খুনের পর পৈশাচিক উল্লাস জেরায় অভিযুক্ত জানিয়েছে, খুনের পর সে ঘর থেকে বেরিয়ে গিয়ে বিয়ার কিনে আনে। ফিরে এসে নিথর দেহের পাশেই বসে আয়েশ করে বিয়ার পান করে সে। এরপরই ঘটে সবথেকে বীভৎস ঘটনা— মৃতদেহের সঙ্গেই পুনরায় যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হয় পীযূষ। শেষে তরুণীর নগ্ন দেহটি ফেলে রেখে এবং তাঁর কিছু আপত্তিকর ভিডিও কলেজের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আপলোড করে সে চম্পট দেয়। দু’দিন পর পচাগলা দেহ উদ্ধার হলে বাবা কেবল পায়ের মোজা দেখে নিজের মেয়েকে শনাক্ত করেন।

লজ্জাহীন খুনি গ্রেফতার হওয়ার পর পীযূষের মধ্যে অনুশোচনার লেশমাত্র নেই। সাংবাদিকদের সামনে মৃদু হেসে তাঁর মন্তব্য, “যা হওয়ার তা তো হয়েই গিয়েছে, এখন জেনে কী করবেন? সময় এলে সব বলব।” এই তাচ্ছিল্য ভরা স্বরই প্রমাণ করে দেয় সে কতটা ভয়ঙ্কর। পুলিশ বর্তমানে খতিয়ে দেখছে অভিযুক্তের কোনো মানসিক বিকৃতি বা ড্রাগ আসক্তি ছিল কি না।