হাতের মুঠোয় সমাধান! পতঞ্জলির ‘ইমিউনোচার্জ’ কি আপনার শরীরের সুরক্ষা কবচ হতে পারে? জানুন রামদেবের পরামর্শ

আজকের দ্রুতগতির জীবনে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং অত্যধিক মানসিক চাপের কারণে আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি তলানিতে ঠেকেছে। সামান্য আবহাওয়া পরিবর্তনেই সর্দি-কাশি, জ্বর বা দীর্ঘমেয়াদী ক্লান্তি এখন ঘরে ঘরে। কিন্তু কীভাবে শরীরকে ভেতর থেকে লোহার মতো শক্ত করা সম্ভব? পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের কর্ণধার বাবা রামদেব নিয়ে এসেছেন এক বিশেষ আয়ুর্বেদিক সমাধান— পতঞ্জলি ইমিউনোচার্জ।
কেন বারবার অসুস্থ হন? চিকিৎসকদের মতে, অপর্যাপ্ত ঘুম, পুষ্টির অভাব, দূষণ এবং শরীরচর্চায় অনীহা আমাদের শরীরের ডিফেন্স সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়। ফলে বাতাসবাহিত যে কোনো সংক্রমণ সহজেই আমাদের আক্রমণ করে।
পতঞ্জলি ইমিউনোচার্জের জাদু: বাবা রামদেবের দাবি অনুযায়ী, ইমিউনোচার্জে রয়েছে প্রাচীন ভারতীয় আয়ুর্বেদের শ্রেষ্ঠ উপাদানসমূহ। এর মূল শক্তি লুকিয়ে আছে পাঁচটি ভেষজে:
-
গুলঞ্চ (Giloy): যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে শরীরকে প্রস্তুত করে।
-
আমলকি: ভিটামিন সি-এর খনি, যা প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
-
অশ্বগন্ধা: ক্লান্তি দূর করে এবং মানসিক চাপ বা স্ট্রেস কমিয়ে শরীরে প্রাণশক্তি জোগায়।
-
তুলসী ও হলুদ: এদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণ শরীরকে ভেতর থেকে ডিটক্স করতে সাহায্য করে।
ঘরোয়া টোটকা ও জীবনশৈলী: কেবল সাপ্লিমেন্ট নয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধরে রাখতে প্রতিদিনের পাতে রাখতে হবে সবুজ শাকসবজি, মরশুমি ফল ও প্রোটিন। হালকা গরম জল এবং হলুদ-দুধ খাওয়ার অভ্যাসও বেশ কার্যকরী। তবে মনে রাখবেন, জাঙ্ক ফুড এবং অতিরিক্ত চিনি কিন্তু ইমিউনিটির প্রধান শত্রু। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট যোগব্যায়াম ও প্রাণায়াম করলে দীর্ঘমেয়াদী সুফল পাওয়া যায়। তবে কোনো ওষুধ শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।