রক্তাক্ত বাংলাদেশ: ডিসেম্বর থেকে ১২ জন হিন্দু নিধন! ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’র তত্ত্বে কি ধামাচাপা পড়ছে পরিকল্পিত হিংসা?

বাংলাদেশে ক্ষমতার রদবদল হলেও সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর হামলার বীভৎসতা থামছে না। ডিসেম্বর মাসেই দেশে ১২ জন সংখ্যালঘু হিন্দু প্রাণ হারিয়েছেন, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। দিপু চন্দ্র দাস থেকে শুরু করে অমৃত মণ্ডল, দিলীপ বর্মন, প্রন্তোষ কর্মকার—তালিকায় যোগ হচ্ছে একের পর এক নাম। একের পর এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন উঠছে, এটি কি নিছক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নাকি পরিকল্পিত সংখ্যালঘু নিধন?

প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য এই প্রতিটি মৃত্যুকে ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা’ বা ‘স্বতন্ত্র ফৌজদারি অপরাধ’ হিসেবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, নিহতদের ধর্মীয় পরিচয় এবং ঘটনার ধারাবাহিকতা একটি গভীর অস্থিতিশীলতা ও পরিকল্পিত টার্গেট কিলিংয়ের দিকেই ইঙ্গিত করছে। দিপু চন্দ্র দাস ও যোগেশ চন্দ্র রায়ের মতো ১২ জন হিন্দু সদস্যের প্রাণহানি ওপার বাংলার রাজপথে নতুন করে নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিটি মামলার পৃথক তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বিচার পাওয়া নিয়ে সন্দিহান। এই ক্রমবর্ধমান নৈরাজ্য ও সংখ্যালঘু নিপীড়ন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর বড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিচ্ছে।