বাজারে কি সব ভেজাল মধু? পতঞ্জলি মধুর বিশুদ্ধতা নিয়ে বড়সড় বৈজ্ঞানিক রিপোর্ট প্রকাশ্যে!

আয়ুর্বেদে মধুকে ‘অমৃত’ বলা হলেও বর্তমান বাজারে ভেজালের ভিড়ে খাঁটি মধু চেনাই দায়। এই অবস্থায় স্বস্তির খবর দিল পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ। বিশ্ববিখ্যাত ‘এলসেভিয়ার রিসার্চ’ (Elsevier Research)-এ পতঞ্জলি মধুর বিশুদ্ধতা নিয়ে একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে যে, পতঞ্জলি মধু সম্পূর্ণ নিরাপদ, প্রাকৃতিকভাবে গুণমান সম্পন্ন এবং কোনো প্রকার ক্ষতিকারক ভেজালমুক্ত।

আয়ুর্বেদে মধুর মাহাত্ম্য ও বাবা রামদেবের পরামর্শ
যোগগুরু বাবা রামদেব ব্যাখ্যা করেছেন যে, আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে মধুর গুরুত্ব অপরিসীম। এটি কেবল মিষ্টি নয়, বরং একটি শক্তিশালী ঔষধ। তাঁর মতে:

হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: প্রতিদিন সকালে হালকা গরম জলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ বা চর্বি দ্রুত ঝরাতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: মধুতে থাকা প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

সর্দি-কাশি: গলা ব্যথা বা দীর্ঘদিনের কাশিতে আদা বা তুলসীর রসের সঙ্গে মধু সেবন করলে জাদুর মতো উপকার পাওয়া যায়।

ত্বকের যত্ন: প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার হিসেবে মধু ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে এবং ক্ষত নিরাময়ে অতুলনীয়।

গবেষণায় কী মিলল?
এলসেভিয়ার রিসার্চে পতঞ্জলি মধুর প্রতিটি উপাদান বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রক্রিয়াকরণের সময় মধুর প্রাকৃতিক গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে। এই মধু আন্তর্জাতিক মানের বিশুদ্ধতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের মনে মধুর গুণমান নিয়ে থাকা সন্দেহ দূর করতে সাহায্য করবে।

সেবনের সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা
মধু খাওয়ার ক্ষেত্রেও কিছু নিয়ম মানা জরুরি। বাবা রামদেবের পরামর্শ অনুযায়ী, মধু কখনোই অতিরিক্ত গরম করা উচিত নয়। এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু দেওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো। ঘরোয়া প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদা বা তুলসীর সাথে এটি মিশিয়ে খাওয়া যায়। তবে যে কোনো বিশেষ শারীরিক সমস্যায় বা নিয়মিত ব্যবহারের আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।