“খেললে খেলুন, নয়তো মাঠ ছাড়ুন!”-ফের হ্যান্ডসেকে না সূর্যর, সমালোচনা সঞ্জয় মাঞ্জরেকরের

ভারত বনাম পাকিস্তান—মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই মাঠের বাইরের উত্তাপে পুড়ছে ক্রিকেট বিশ্ব। একদিকে সীমান্তের উত্তেজনা, অন্যদিকে ২২ গজের লড়াই। এর মাঝেই নতুন এক বিতর্কের বোমা ফাটালেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকর। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের ‘হ্যান্ডশেক না করার’ নীতিকে সরাসরি ‘বোকামি’ এবং ‘অশালীন’ বলে তোপ দাগলেন তিনি।

মাঞ্জরেকরের বিস্ফোরক পোস্ট: “এটা কি ক্রিকেট?”

নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেলে মাঞ্জরেকর সাফ লিখেছেন, “ভারত যে ‘হ্যান্ডশেক’ না করার নিয়ম চালু করেছে তা সম্পূর্ণ বোকামি। আমাদের মতো দেশের জন্য এটা শোভনীয় নয়। খেললে স্পোর্টসম্যান স্পিরিট নিয়ে খেলুন, নয়তো একেবারেই খেলবেন না।” তাঁর মতে, যদি দুই দেশ একে অপরের বিরুদ্ধে মাঠে নামে, তবে ক্রিকেটের চিরাচরিত ঐতিহ্যকে সম্মান জানানো উচিত।

কেন এই ‘নো হ্যান্ডশেক’ নীতি?

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এই শীতল সম্পর্কের নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ।

  • প্রেক্ষাপট: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলা এবং পরবর্তীতে ভারতের পালটা ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর জেরে দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে।

  • বিগত বিতর্ক: ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে প্রথমবার ভারতীয় পুরুষ ও মহিলা দল পাকিস্তানের সঙ্গে করমর্দন না করার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই ট্র্যাডিশন বজায় থাকল আজকের কলম্বো ম্যাচেও।

কী বলছেন পাক অধিনায়ক?

ম্যাচ শুরুর আগে পাকিস্তানের অধিনায়ক সলমন আলি আঘা কৌশলী চাল চেলেছেন। তিনি জানান, তাদের হাত মেলাতে কোনো আপত্তি নেই। সলমনের কথায়, “সিদ্ধান্ত ভারতের হাতে, তবে ক্রিকেট স্পিরিট মেনেই খেলা উচিত।” উল্লেখ্য, এশিয়া কাপে সূর্যকুমার যাদব করমর্দন করতে অস্বীকার করার পর পাকিস্তান দল সাময়িক বয়কটের হুমকি দিলেও শেষ পর্যন্ত পিছু হটেছিল।