১৪ বছরের ফারাক তুচ্ছ! প্রেম দিবসে চুপিচুপি বিয়ে সারলেন রণজয়-শ্যামৌপ্তি, ভাইরাল সেই চুম্বনের ভিডিও

টলিপাড়ার চর্চিত প্রেম অবশেষে পেল পরিণতি। ভ্যালেন্টাইনস ডে বা প্রেম দিবসের মাহেন্দ্রক্ষণেই একে অপরের হাত ধরলেন অভিনেতা রণজয় বিষ্ণু এবং অভিনেত্রী শ্যামৌপ্তি মুদলি। দীর্ঘদিনের লুকোছাপা, বয়স নিয়ে বিতর্ক— সব কিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সামাজিক রীতি মেনে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন এই তারকা জুটি। বিয়ের পর সমাজমাধ্যমে রণজয়ের আবেগঘন বার্তা, “আজ থেকে আমি আর তুমি নয়, শুধু আমরা।”
‘গুড্ডি’ ধারাবাহিকের শুটিং ফ্লোর থেকে শুরু হয়েছিল তাঁদের বন্ধুত্ব। রণজয় এবং শ্যামৌপ্তির বয়সের পার্থক্য প্রায় ১৪ বছর। আর এই অসম বয়সের প্রেম নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কম চর্চা হয়নি। তবে সমস্ত সমালোচনাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে প্রেম দিবসের গোধূলি লগ্নে শ্যামৌপ্তির সিঁথি সিঁদুরে রাঙিয়ে দিলেন রণজয়। ডিজাইনার অনুশ্রী মালহোত্রার পোশাকে সেজেছিলেন নবদম্পতি। রীতি ভেঙে বেনারসির বদলে শ্যামৌপ্তি পরেছিলেন টকটকে লাল সিল্কের শাড়ি, মাথায় শোলার মুকুট আর ছিমছাম সোনার গয়না। অন্যদিকে, অফ-হোয়াইট ধুতি-পাঞ্জাবিতে রণজয়কে দেখাচ্ছিল একেবারে ট্র্যাডিশনাল বর।
বিয়ের মূল পর্ব শেষ হতেই ছিল বড় চমক। রণজয়কে দেখা যায় স্টাইলিশ স্যুট-প্যান্টে। কেক কাটার পর রণজয়কে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়ে চুম্বন করেন শ্যামৌপ্তি। এরপর বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের গানে নেচে শ্যামৌপ্তিকে প্রেম নিবেদন করেন রণজয় এবং তাঁর আঙুলে পরিয়ে দেন হিরের আংটি। বরের এমন সারপ্রাইজ দেখে কার্যত বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন কনে।
নিজেদের সম্পর্ককে বরাবরই ‘ভালো বন্ধু’ বলে দাবি করে এসেছেন তাঁরা। কিন্তু মন দেওয়া-নেওয়ার সেই গোপন খবর যে সত্যি ছিল, তা আজ ছাঁদনাতলায় প্রমাণিত। বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারকে সাক্ষী রেখে এক ছাদের নীচে নতুন জীবনের পথ চলা শুরু করলেন রণজয়-শ্যামৌপ্তি। টলিপাড়ার এই নতুন জুটিকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিচ্ছেন অনুরাগীরা।