স্মৃতি মন্ধানার সঙ্গে বিয়ে ভাঙার নেপথ্যে কি ‘পরকীয়া’? মুখ খুলতেই কড়া শাস্তির মুখে স্মৃতির বন্ধু, স্বস্তি পলাশের

ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের ‘পোস্টার গার্ল’ স্মৃতি মন্ধানা এবং সঙ্গীত পরিচালক পলাশ মুচ্ছলের রূপকথার প্রেম কেন ভেঙে গেল? এই নিয়ে যখন তোলপাড় সোশ্যাল মিডিয়া, ঠিক তখনই আইনি লড়াইয়ে বড় জয় পেলেন পলাশ। স্মৃতির ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিদ্যন মানের করা কুরুচিকর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পলাশ। সেই মামলাতেই এবার বিদ্যনের ওপর কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করল আদালত।

বম্বে হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ
পলাশের করা মানহানির মামলার প্রেক্ষিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, পলাশ মুচ্ছলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কোনো মন্তব্য বা খবর ছড়ানো যাবে না। পলাশের আইনজীবী শ্রেয়াংশ আর মিথারে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আদালত বিদ্যনকে এই বিষয়ে মুখে কুলুপ আঁটার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী ১১ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

কী সেই বিস্ফোরক অভিযোগ?
স্মৃতির বন্ধু বিদ্যন মানে সম্প্রতি দাবি করেছিলেন, বিয়ের মণ্ডপেই পলাশকে অন্য এক মহিলার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলেন স্মৃতি ও তাঁর বন্ধুরা।

মারধরের দাবি: বিদ্যনের অভিযোগ ছিল, পলাশকে বিছানায় আপত্তিকর অবস্থায় দেখে মেজাজ হারান জাতীয় দলের মহিলা ক্রিকেটাররা। এমনকি পলাশকে নাকি মারধরও করা হয়।

বিয়ের সিদ্ধান্ত বদল: এই ঘটনার পরেই নাকি স্মৃতি বিয়ে ভেঙে দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন।

[Image showing a split of Smriti Mandhana and Palash Muchhal with a gavel representing the High Court order]

টাকা আত্মসাতের পাল্টা মামলা
কেবল চারিত্রিক হরণ নয়, বিদ্যন এর আগে পলাশের বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ এনেছিলেন। তাঁর দাবি, ‘নজরিয়া’ নামক একটি ছবিতে বিনিয়োগের নামে পলাশ তাঁর থেকে টাকা নিলেও ছবি শেষ করেননি এবং টাকাও ফেরত দেননি। এই সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে নিজের সম্মান রক্ষায় ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা ঠোকেন পলাশ।

প্রেক্ষাপট: ২০২৬-এর বড় বিচ্ছেদ
স্মৃতি মন্ধানা ও পলাশ মুচ্ছলের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অনুরাগীদের মধ্যে উন্মাদনা ছিল। কিন্তু বিয়ের ঠিক আগমুহূর্তে এমন কদর্য বিতর্ক সামনে আসায় দুই তারকার ভাবমূর্তিতেই ধাক্কা লাগে। তবে বম্বে হাইকোর্টের এই সাময়িক নির্দেশে আপাতত স্বস্তিতে পলাশ।