৫৬-তেও কিশোরী ভাগ্যশ্রী! কলকাতায় ঋতুপর্ণার সঙ্গে আড্ডায় ফাঁস করলেন চিরযৌবনের গোপন রহস্য

বয়স ছাপ্পান্ন, কিন্তু তাঁকে দেখলে আজও মনে পড়ে যায় ‘ম্যায়নে পেয়ার কিয়া’-র সেই লাজুক কিশোরী ‘সুমন’কে। ভ্যালেন্টাইন্স ডের ঠিক আগে খাস কলকাতায় ধরা দিলেন বলিউডের সেই হার্টথ্রব ভাগ্যশ্রী। টলি-কুইন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর আমন্ত্রণে এক আড্ডায় মেতেছিলেন দুই অভিনেত্রী, যেখানে উঠে এল প্রেম, জীবন এবং ফিটনেস নিয়ে একগুচ্ছ অজানা কথা।

বিয়ের এত বছর পর আজও গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড! ভালোবাসার দিনের মাহাত্ম্য বোঝাতে গিয়ে ভাগ্যশ্রী এক গাল হেসে জানান, “আমাদের কাছে কোনো নির্দিষ্ট দিন নেই। স্বামী হিমালয় দসানির সঙ্গে আমার সম্পর্কটা আজও ঠিক গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ডের মতো। ছোটবেলার বন্ধুত্ব কখন যে প্রেমে বদলে গিয়েছিল বুঝতেই পারিনি।” পাশে থাকা ঋতুপর্ণা তখন টিপ্পনি কেটে বলেন, “ওই জন্যই কি প্রথম ছবি ম্যায়নে পেয়ার কিয়া?” হাসিতে ফেটে পড়েন দুজনেই।

যৌবন ধরে রাখার ‘ম্যাজিক মন্ত্র’: ৫৬ বছর বয়সেও কীভাবে নিজেকে এত সতেজ রাখেন ভাগ্যশ্রী? অভিনেত্রীর কথায়, “নিজেকে ভালোবাসলে তবেই অন্যকে ভালোবাসা যায়।” নিয়মিত যোগব্যায়াম আর পরিমিত খাবারের ওপর ভরসা রাখেন তিনি। এমনকি গরমের দিনে পেট ঠান্ডা রাখতে তাঁর পছন্দের ‘কুমড়োর রায়তা’র রেসিপিও ভাগ করে নেন তিনি। টক দই, সেদ্ধ কুমড়ো আর কারিপাতার ফোড়ন— এটাই তাঁর সুস্থ থাকার চাবিকাঠি।

খারাপ সময়ের পর আসে সূর্যোদয়: আড্ডার মাঝে উঠে আসে জীবনের লড়াইয়ের কথা। ভাগ্যশ্রীর মতে, “জীবনে অনেক সমস্যা আসবে, মনে হবে সব শেষ হয়ে গেল। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সূর্য ডোবে পরদিন নতুন করে ওঠার জন্যই।” একই সুর শোনা গেল ঋতুপর্ণার গলাতেও। তিনি বলেন, “ব্যস্ততার মাঝেও নিজেকে খুশি রাখাটাই আসল শিল্প।”

খিদিরপুরের এক মিষ্টির বিপণিতে দুই তারকার এই মিলনমেলা দেখতে ভিড় জমিয়েছিলেন অগণিত ভক্ত। রোজ ডে বা প্রোপোজ ডে-র ভিড়ে ভাগ্যশ্রীর স্পষ্ট বার্তা— “স্বামী যেদিন যা উপহার দেয়, সেদিনটাই আমার কাছে সেই বিশেষ দিন।”