অলিম্পিক পোডিয়ামে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তারকা অ্যাথলিট! পদক জয়ের পর ফাঁস করলেন জীবনের ‘সবচেয়ে বড় ভুল’

মিলানো কর্টিনা অলিম্পিকের আসরে এক অভাবনীয় দৃশ্যের সাক্ষী থাকল বিশ্ব। পুরুষদের ২০ কিলোমিটার ইন্ডিভিজুয়াল বায়াথলন ইভেন্টে ব্রোঞ্জ পদক জয়ের পর যেখানে স্টুর্লা হোম লাগ্রেডের আনন্দে মেতে ওঠার কথা, সেখানে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লেন। তবে এই কান্না জয়ের আনন্দ নয়, বরং ব্যক্তিগত জীবনের এক গভীর অপরাধবোধের। পদক জয়ের ঠিক পরেই নরওয়ের এই তারকা অ্যাথলিট প্রকাশ্যে স্বীকার করেন যে, তিনি তাঁর প্রেমিকার সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ বা প্রতারণা করেছেন।
লাইভ ইন্টারভিউতে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি: নরওয়েজিয়ান ব্রডকাস্টার এনআরকে-কে দেওয়া একটি আবেগঘন সাক্ষাৎকারে সাতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন লাগ্রেড জানান, তিন মাস আগে তিনি তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলটি করেছেন। তিনি বলেন, “ছয় মাস আগে আমি আমার জীবনের সত্যিকারের ভালোবাসা খুঁজে পেয়েছিলাম, কিন্তু তিন মাস আগে আমি এক মারাত্মক ভুল করে ফেলি। আমি আমার প্রেমিকার সঙ্গে বিশ্বাসভঙ্গ করেছি।” মাত্র এক সপ্তাহ আগে তিনি তাঁর প্রেমিকাকে এই সত্যটি জানিয়েছেন এবং অলিম্পিকের এই সপ্তাহটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল বলে দাবি করেন।
পদকের চেয়ে বড় হার: বিজিং ২০২২-এর সোনাজয়ী এই অ্যাথলিটের কাছে এই ব্যক্তিগত ব্রোঞ্জ পদকটি তাঁর প্রথম ব্যক্তিগত অলিম্পিক পদক। কিন্তু পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে তিনি সাফ জানান, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি যা হারিয়েছেন, তার কাছে এই পদকের মূল্য অতি সামান্য। ম্যাচে একটি লক্ষ্য মিস করে তিনি সোনা থেকে ৪৮.৩ সেকেন্ড পিছিয়ে ছিলেন। তাঁরই সতীর্থ বোটন সোনা জিতলেও লাগ্রেডের কান্নায় সেই আনন্দ ম্লান হয়ে যায়। পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে লাগ্রেড স্পষ্ট করেন যে, নিজের ভুলের দায় স্বীকার করতেই তিনি প্রকাশ্যে সব জানিয়েছেন, যাতে জীবনে ক্ষমা পাওয়ার অন্তত কোনো আশা বেঁচে থাকে।