ফেলে দেবেন না পুরনো হেডফোন! এই ৫টি জাদুকরী উপায়ে তৈরি করুন দামী মাইক ও স্পিকার

আমাদের অনেকেরই ড্রয়ারে এক বা একাধিক পুরনো বা একপাশ নষ্ট হয়ে যাওয়া হেডফোন পড়ে থাকে। আমরা সেগুলোকে বাতিল ই-বর্জ্য মনে করে ফেলে দিই। কিন্তু সামান্য সৃজনশীলতা ব্যবহার করলে এই বাতিল হেডফোনই হয়ে উঠতে পারে আপনার দৈনন্দিন জীবনের দামী স্মার্ট গ্যাজেট। টেকনিক্যাল দিক থেকে হেডফোনের ভেতরের পার্টসগুলো অনেকদিন সচল থাকে। জেনে নিন কীভাবে পুরনো হেডফোনকে ৫টি নতুন রূপে ব্যবহার করবেন।

১. কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য কলার মাইক: আপনি কি রিল বা ভিডিও বানান? দামী মাইক কেনার আগে পুরনো হেডফোনটি দেখুন। যদি স্পিকার নষ্টও হয়, এর ইন-বিল্ট মাইক্রোফোনটি সাধারণত সচল থাকে। জ্যাকের কাছের অংশটি রেখে বাকিটা সুন্দর করে কেটে আপনি একে ল্যাভেলিয়ার বা কলার মাইক হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার ভিডিওর অডিও কোয়ালিটি হবে অনেক উন্নত।

২. ডেস্কের জন্য মিনি স্পিকার: যদি হেডফোনের স্পিকার ভালো থাকে, তবে সেটিকে প্লাস্টিক বা কাঠের ছোট স্ট্যান্ডে বসিয়ে নিজের ওয়ার্কস্টেশনের জন্য মিনি ডেস্ক স্পিকার বানিয়ে নিন। অফিসে কাজ করার সময় হালকা গান শোনার জন্য এটি সেরা বিকল্প।

৩. হেলমেট অডিও সিস্টেম: বাইকারদের জন্য এটি একটি দুর্দান্ত টিপস। হেডফোনের স্পিকারগুলো খুলে হেলমেটের ভেতরের প্যাডিংয়ে সেট করে নিন। এতে রাইডিংয়ের সময় নেভিগেশন বা গান শুনতে সুবিধা হবে। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, কান পুরোপুরি ঢাকা থাকে না বলে রাস্তার ট্র্যাফিক সিগন্যালও পরিষ্কার শোনা যায়।

৪. পড়াশোনা ও মেডিটেশন: পুরনো হেডফোনের আওয়াজ সাধারণত খুব সফট হয়। এটি শিশুদের অনলাইন ক্লাসের জন্য বা মেডিটেশনের সময় ‘বাইনরাল বিটস’ শোনার জন্য আদর্শ। এতে কানে চাপ কম পড়ে এবং দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারেও বিরক্তি আসে না।