আগামীকাল দেশজুড়ে ‘ভারত বনধ’! ৩০ কোটি কর্মীর হুঙ্কার, আপনার শহরের স্কুল-কলেজ কি কাল বন্ধ?

কেন্দ্রীয় সরকারি নীতির প্রতিবাদে আগামীকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি দেশজুড়ে এক বিশাল ‘ভারত বনধ’-এর ডাক দিয়েছে বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন, কৃষক সংগঠন এবং সামাজিক সংগঠনগুলি। দাবি করা হচ্ছে, এই ধর্মঘটে প্রায় ৩০ কোটি কর্মচারী শামিল হতে পারেন। ফলে ব্যাংকিং থেকে শুরু করে সাধারণ পরিবহন— জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্কুল-কলেজ কি কাল বন্ধ থাকবে? বনধের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা। সরকারিভাবে সব স্কুল-কলেজ বন্ধের কোনো কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা না থাকলেও, স্থানীয় পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে অনেক রাজ্যের বেসরকারি স্কুল কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই ছুটি ঘোষণা করেছে। কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অফলাইন ক্লাসের পরিবর্তে অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অভিভাবকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে যেন তারা স্কুলের দেওয়া শেষ মুহূর্তের বিজ্ঞপ্তির দিকে নজর রাখেন।
ব্যাংক পরিষেবায় কতটা প্রভাব পড়বে? ব্যাংক ইউনিয়নগুলো এই বনধকে সমর্থন জানানোয় আগামীকাল চেক ক্লিয়ারেন্স, নগদ জমা বা তোলার মতো কাজগুলো ব্যাহত হতে পারে। সরকারি ও বেসরকারি অনেক ব্যাংকের শাখায় কাজ থমকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বস্তির খবর হলো, ডিজিটাল ব্যাংকিং পরিষেবা অর্থাৎ UPI, নেট ব্যাংকিং এবং এটিএম পরিষেবাগুলি স্বাভাবিকভাবেই সচল থাকবে।
পরিবহন ও সাধারণ পরিষেবা: রাস্তায় বাস, ট্যাক্সি এবং অটো ইউনিয়নগুলো বনধের সমর্থনে থাকায় যাতায়াতে বড়সড় ভোগান্তি হতে পারে। তবে রেল ও বিমান পরিষেবা সচল রাখার চেষ্টা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে জরুরি পরিষেবা যেমন— হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স এবং অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা এই বনধের আওতা থেকে মুক্ত থাকবে। আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন সারা দেশে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করছে।