‘স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত,’-BJP MLA-র গুরুতর অভিযোগ, জেনেনিন কেন?

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁয় বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়ার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল এলাকা। অভিযোগের তির সরাসরি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। গোপালনগর থানার বেলডাঙা এলাকায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে দুষ্কৃতীরা বিধায়কের পরিবারের গাড়ি লক্ষ্য করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় বলে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় বনগাঁ জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
বিজেপি সূত্রের খবর, আক্রান্ত ওই গাড়িতে অশোক কীর্তনীয়ার পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদারের শাশুড়িও উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগ, অনুষ্ঠান শেষ করে বেরোনোর সময় আচমকাই একদল দুষ্কৃতী গাড়িটি ঘিরে ফেলে। এরপর শুরু হয় বেপরোয়া ভাঙচুর। গাড়ির কাচ ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয় এবং আরোহীদের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করা হয়।
ঘটনায় রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া। তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন, “তৃণমূলের হার্মাদরা আমার স্ত্রীকে গাড়ির ভিতর জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করেছিল। গাড়িটাকে সম্পূর্ণ তছনছ করে দেওয়া হয়েছে।” রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে দাবি করে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যদি দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করা না হয়, তবে বনগাঁ অচল করে দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, খগেন মুর্মু বা শঙ্কর ঘোষের মতো বিজেপি নেতৃত্বদের ওপর হামলার পর ফের একজন বিধায়কের পরিবার টার্গেট হওয়ায় সরগরম রাজনৈতিক মহল। তবে তৃণমূল এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। গোপালনগর ব্লক ১-এর তৃণমূল সভাপতি তাপস পাল পাল্টা দাবি করেছেন যে, এসআইআর (SIR) ইস্যুতে এক ব্যক্তির আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনার জেরে স্থানীয় মানুষ বিধায়ককে প্রশ্ন করতে চেয়েছিলেন। সেখানে কেবল ধাক্কাধাক্কি হয়েছে, তৃণমূলের কোনও ক্যাডার এর সঙ্গে যুক্ত নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।