এসআইআর প্রক্রিয়ায় বড় ষড়যন্ত্র? নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া তথ্যে কারচুপির বিস্ফোরক অভিযোগ নবান্নর!

এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া যত শেষের দিকে এগোচ্ছে, রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধ ততই তীব্র হচ্ছে। এবার সরাসরি জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডাটাবেস বিকৃত করার অভিযোগ তুলল নবান্ন। মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু ‘স্বার্থান্বেষী মহল’ ইচ্ছাকৃতভাবে এই তালিকা বিকৃত করে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পর সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে ৮,৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের তালিকা কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। রাজ্য সরকারের দাবি, গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি কর্মচারীদের এই শ্রেণীবিভাগ অর্থ দফতরের বিদ্যমান নিয়ম ও পে-লেভেল মেনেই করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে কড়া ভাষায় বলা হয়েছে যে, সম্প্রতি কিছু অংশে অনিয়ম বা কারচুপির যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ “ভিত্তিহীন, মনগড়া এবং বাস্তবের সাথে সম্পর্কহীন।”

রাজনৈতিক মহলে এখন বড় প্রশ্ন—নবান্ন এই ‘স্বার্থান্বেষী মহল’ বলতে ঠিক কাদের নিশানা করতে চাইছে? একদিকে সুপ্রিম কোর্টের কড়া নজরদারি, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের সাথে ক্রমাগত এই চাপানউতোর; সব মিলিয়ে লোকসভা ভোটের আগে এসআইআর প্রক্রিয়াকে ঘিরে প্রশাসনিক জটিলতা চরমে পৌঁছেছে। রাজ্য সরকারের সাফ কথা, নিয়ম মেনেই তথ্য জমা দেওয়া হয়েছে এবং এতে কোনও রূপ বিচ্যুতি ঘটানো হয়নি।