দাদার মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা নয়, এর পিছনে আছে মোসাদ স্টাইল ষড়যন্ত্র!’ বোমা ফাটালেন রোহিত পাওয়ার!

মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে বারামতী বিমান দুর্ঘটনা এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করেছে, কিন্তু এবার সেই শোকের আবহে দানা বাঁধছে গভীর ষড়যন্ত্রের সন্দেহ। মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে এবার সরাসরি আঙুল তুললেন তাঁরই ভাইপো তথা শরদ পাওয়ার গোষ্ঠীর বিধায়ক রোহিত পাওয়ার। দুর্ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর রোহিত দাবি করেছেন, এই ঘটনা কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি নয় বরং এর পিছনে থাকতে পারে একটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড।
মঙ্গলবার এক চাঞ্চল্যকর উপস্থাপনায় রোহিত পাওয়ার ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’-এর একটি বইয়ের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, “যদি কাউকে মারতে হয়, তবে সবথেকে সহজ উপায় হল তাঁর চালককে মেরে ফেলা।” রোহিতের প্রশ্ন, দুর্ঘটনার আগের দিন অজিত পাওয়ারের মুম্বাই থেকে পুনে যাওয়ার কথা ছিল সড়কপথে। কনভয় বেরিয়ে যাওয়ার পরেও কেন শেষ মুহূর্তে তিনি আকাশপথ বেছে নিলেন? কার নির্দেশে গভীর রাতে তড়িঘড়ি লিয়ারজেট বিমানটি বুক করা হয়েছিল? তিনি অভিযোগ করেন যে, বিমানটি ওড়ার আগে যথাযথ পরিদর্শন করা হয়নি এবং হ্যাঙ্গারের সিসিটিভি ফুটেজও গায়েব করা হতে পারে।
রোহিত পাওয়ার আরও বিস্ফোরক দাবি করেছেন যে, দুর্ঘটনার ঠিক আগে বিমানের ‘ট্রান্সপন্ডার’ সম্ভবত ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল যাতে রাডারে গতিবিধি ধরা না পড়ে। তিনি ডিজিসিএ (DGCA)-এর নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। আজ দিল্লিতে দুপুর ১২টায় প্রেস ক্লাবে তিনি এই বিষয়ে আরও তথ্য পেশ করবেন বলে জানা গেছে। বিমানের মালিকানাধীন ভিএসআর সংস্থা এবং বুকিং পরিচালনাকারী অ্যারো (ARROW) কোম্পানির ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তিনি। এই অভিযোগের পর মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অজিত পাওয়ারের মৃত্যু কি সত্যিই ষড়যন্ত্র নাকি নিছক দুর্ঘটনা— তা নিয়ে এখন উত্তাল দেশ।