৩০০ বছর পর মহাশিবরাত্রিতে বিরল যোগ! শিব-পার্বতীর মিলনে ২০২৬-এ ভাগ্য খুলছে এই ৩ রাশির

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র তিথি মহাশিবরাত্রি। তবে ২০২৬ সালের মহাশিবরাত্রি হতে চলেছে ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। জ্যোতিষশাস্ত্রমতে, দীর্ঘ ৩০০ বছর পর এই বিশেষ দিনে এক বিরল গ্রহের সংযোগ ঘটতে চলেছে। ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পালিত হবে এই মহাপুণ্যতিথি। এদিন ত্রিগ্রহী যোগের পাশাপাশি শ্রাবণ নক্ষত্র এবং আরও ৮টি বিরল শুভ যোগের সংমিশ্রণ ঘটছে, যা আধ্যাত্মিক ও জাগতিক— উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

জ্যোতিষীদের মতে, এই অলৌকিক সংযোগের প্রভাবে বিশেষ লাভবান হবেন মেষ, কন্যা ও বৃশ্চিক রাশির জাতকরা। মেষ রাশির আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে, কন্যা রাশির জাতকদের কর্মজীবনে উন্নতির যোগ রয়েছে এবং বৃশ্চিক রাশির জাতকদের পদোন্নতির প্রবল সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। শাস্ত্র মতে, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই চতুর্দশী তিথিতেই দেবাদিদেব মহাদেব ও দেবী পার্বতীর বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল। তাই এই দিনটিকে আদিশক্তি ও পরম পুরুষের মিলনের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।

২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৫:০৬ মিনিট থেকে শুরু করে ১৬ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫:৩২ মিনিট পর্যন্ত চতুর্দশী তিথি থাকবে। এই সময়ের মধ্যে রুদ্রাভিষেক করলে বিবাহের বাধা দূর হয় এবং মনের সকল বাসনা পূরণ হয়। ব্রত পালনের জন্য আগের দিন নিরামিষ আহার এবং শিবরাত্রির দিন উপবাস রেখে চার প্রহরে দুধ, দই, ঘি ও মধু দিয়ে শিবলিঙ্গ স্নান করানো বিধেয়। বেলপাতা, ধুতরো ও ‘ওম নমঃ শিবায়’ মন্ত্রে দেবাদিদেবের আরাধনায় অন্ধকার দূর হয়ে জীবনে জ্ঞানের আলো আসে।